ছবি: প্রতিনিধি
১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। সংবিধান অনুযায়ী, বিদায়ী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেছেন, আর হত্যা মামলায় ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু কারাগারে থাকায় প্রথম অধিবেশন শুরু করতে একজন সভাপতি প্রয়োজন।
অধিবেশনের আগের দিন বুধবার বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই সভায় ঠিক হতে পারে, কে প্রথম অধিবেশনে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সভাপতিত্ব করতে পারেন। তিনি অক্ষম হলে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর তাঁর সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে।
স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন ড. মঈন খান, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিরোধী দলের সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীনের নামও প্রথমবারের সংসদ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও আলোচনা তালিকায় রয়েছে।
ডেপুটি স্পিকারের জন্যও দলের অভিজ্ঞ এমপিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে জামায়াত অংশ না নিলে প্রথম অধিবেশনে দলের এমপিদের মধ্য থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবে।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) ও চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর ও মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর নির্বাচন আদালতের স্থগিতাদেশে ঝুলে আছে। তারা প্রথম অধিবেশনে যোগ দিতে পারছেন না। দুজনের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মামলা রয়েছে; আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের পরই শপথের সুযোগ নিশ্চিত হবে।
সোমবার সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম সরকার বিএনপির এমপিদের সংসদীয় দলের সভায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
এসএইচ







































