ফাইল ছবি
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষক এখনও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। এ বিষয়টি সমাধানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থী সংক্রান্ত জটিলতার কারণে যারা এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, তাদের অন্য প্রতিষ্ঠানে সুপারিশ করা হবে বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. মিজানুর রহমানের কক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. হেলালুজ্জামান সরকার, উপসচিবগণ সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ ও হুরে জান্নাত, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) উপপরিচালক ইউনুছ ফারুকীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এক কর্মকর্তা জানান, ‘৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নানা কারণে অনেক শিক্ষক এখনও এমপিওভুক্ত হননি। মার্চ মাস থেকে মাঠ পর্যায় থেকে তাদের ডাটা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ কার্যক্রম শেষে কারা কেন এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, তা নিরূপণ করা হবে। যারা শেষ প্রতিষ্ঠানের কারণে এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, তাদের নিয়োগ সুপারিশের ব্যবস্থা করবে এনটিআরসিএ।’
তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের প্রথমে নিজ জেলার মধ্যে সুপারিশ করার চেষ্টা করা হবে। যদি সম্ভব না হয়, তবে নিকটবর্তী কোনো প্রতিষ্ঠানে সুপারিশ করা হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকরা সুষ্ঠুভাবে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন।
এসএইচ







































