• ঢাকা
  • শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২, ১১ আষাঢ় ১৪২৯

কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক


নিজস্ব প্রতিবেদক মে ১৯, ২০২২, ১১:৩৫ এএম
কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক

ঢাকা : দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ভয়ংকর স্বাস্থ্য বিধ্বংসী রূপ নিচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হলেও থামছে না, বরং এর অপব্যবহার বেড়েই চলেছে।

জানা গেছে, দেশে গড়ে প্রতিদিন সাত লাখ মানুষ অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে। দেশের প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ফার্মেসিতে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হয়। অনেক চিকিৎসক সামান্য অসুখে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন।

অপরদিকে বেশি দামের কারণে রোগীরা কিছুটা সুস্থ হলেই অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স শেষ না করে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হচ্ছে তা ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে।

এ প্রসঙ্গে ডা. এ কে এম হাবিব উল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে। ফার্মেসির দোকানদার, পল্লী চিকিৎসক থেকে শুরু করে সবাই অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছে। কোন রোগের কোন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক কোন মেয়াদে দিতে হবে তা না জেনেই তারা অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছে।

এছাড়া চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্রে যে অ্যান্টিবায়োটিক লিখছেন, রোগীরা পূর্ণমেয়াদে তা শেষ করছে না। ফলে তার শরীরে যে জীবাণু থাকছে তা ওই অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্যান্স তৈরি করছে।

আগামী ৫ থেকে ১০ বছর পর এ অবস্থা আরো ভয়াবহ হবে। দিন যত যাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক শেষ হয়ে যাচ্ছে। গবেষণায় ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ এই ১০ বছরে ৪২টি অ্যান্টিবায়োটিক এলেও ১৯৯০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে মাত্র এসেছে ২১টি। ২০০০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে এসেছে মাত্র ছয়টি এবং ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মাত্র ৯টি নতুন অ্যান্টিবায়োটিক এসেছে।

২০১৭ থেকে ২০১৯ সালর মধ্যে ১৪ হাজার ৬৬৯টি স্যাম্পল পরীক্ষা করে আইইডিসিআর ১০টি পরিচিত জীবাণুর অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী ক্ষমতা (রেসিস্টট্যান্ট) গড়ে তুলেছে।

২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে মোট ৯০০ রোগী ভর্তি হয়েছিল, যাদের মধ্যে ৪০০ জন মারা যায়।

এদের প্রায় ৮০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে, তাদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া বা ‘সুপারবাগের’ উপস্থিতি ছিল। এটা বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বার্তা। অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে প্রতিবছর ১৮ থেকে ২৪ নভেম্বর ‘অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ’ পালন করা হয়। কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘আমাদের ওপর নির্ভর করবে অ্যান্টিবায়োটিকের ভবিষ্যৎ’।

কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক : জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা কমে যাচ্ছে। যথেচ্ছ ব্যবহারে জীবাণুর বিরুদ্ধে উপকারী অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না।

বর্তমানে বাজারে প্রচলিত ২০-২৫ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হয়, যা আইসিইউতে অধিকাংশ রোগীর শরীরে রেজিস্ট্যান্স হচ্ছে। কিছু রোগীর শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করলেও দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. এম এ হাবিব বলেন, বর্তমানে আইসিইউতে ভর্তির অধিকাংশ রোগীর শরীরের অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। কিছু রোগীর শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করলেও তা তাঁর শরীরে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

শুধু আইসিইউ, সিসিইউর রোগীরাই নয়, শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের শরীরেই এখন অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে জীবাণু।

বিএসএমএমইউর ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সায়েদুর রহমান জানান, যেকোনো আইসিইউতে প্রায়ই সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স থাকে অন্তত ২৫ শতাংশ রোগীর। তখন অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করে দেয়া হয় বা শক্তিশালী কোনো অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়। এ রোগীগুলোর জন্য বিকল্প কিছুই থাকে না। শুধু অপেক্ষা করা ছাড়া।

বেশি ব্যবহার করে ২১-৩০ বছর বয়সীরা : দেশে ২১ থেকে ৩০ বছরের নারী-পুরুষরা সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করছে। তাদের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের হার ২২ শতাংশ। এদের মধ্যে পুরুষ ৫৩ শতাংশ এবং নারী ৪৭ শতাংশ। এর পরই আছে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা। তাদের মধ্যে এই হার ১৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। দেশের নয়টি হাসপাতালের ১৪ হাজার ৬৬৯ রোগীর ওপর গত ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই গবেষণা করা হয়।

তাদের মধ্যে হাসপাতালের ইনডোরে ৫২ শতাংশ, আউটডোরে ৪৭ শতাংশ এবং বাসাবাড়িতে ১ শতাংশ মানুষের নমুনা নেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি স্যাম্পল নেওয়া হয় প্রস্রাবের- ৪৬ শতাংশ।

আবার রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্যাম্পল নেওয়া হয় মেডিসিন বিভাগের- ৬৬ শতাংশ। প্রস্রাবের নমুনায় ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।

এ ছাড়া সার্বিকভাবে ২৮ শতাংশ নমুনার ক্ষেত্রে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি মেলে। পায়খানার নমুনায় ৪৭ শতাংশ ভিডিওকলেরি এবং রক্তের ৫৮ শতাংশ ক্ষেত্রে সালমোনিয়া ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায়।

অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে জীবাণুরা : উদ্বেগের বিষয় হলো, এখন প্রচুর অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ থাকা সত্ত্বেও সাধারণ রোগজীবাণুতে বহু মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ বেশিরভাগ জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে গেছে।

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়েও এখন লাভ হয় না, জীবাণু মরে না। অ্যান্টিবায়োটিক পুরুষের বিরুদ্ধে ৪৭ শতাংশ এবং নারীর বিরুদ্ধে ৫৩ শতাংশ প্রতিরোধী হয়ে গেছে। সবচেয়ে প্রতিরোধী হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের বিরুদ্ধে ২২ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৩ শতাংশ প্রতিরোধী হয়েছে। ০ থেকে ১০ বছর বয়সীদের মধ্যে ১১ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরাধী পাওয়া গেছে। ১৬ শতাংশ প্রতিরোধী হয়েছে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের বিরুদ্ধে। ১৪ শতাংশ ৪১ থেকে ৫০ শতাংশ বয়সী, ১২ শতাংশ ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী, ৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে ৮ শতাংশ, ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩ শতাংশ এবং ৮১ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে ১ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সারা বিশ্বে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল রেজিস্ট্যান্স একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। জীবাণুসমূহ অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেই চলছে। জীবাণুগুলো অনেক রকম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধী হয়ে পড়েছে। ফলে কম বা বেশি দামি সব প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণ চিকিৎসায় অকার্যকর হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।

আইসিইউতে ৮০ ভাগ রোগীর মৃত্যুর কারণ অ্যান্টিবায়োটিক শরীরে কাজ না করা। শুধু আইসিইউ, সিসিইউর রোগীরাই নয়, শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের শরীরেই এখন অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে জীবাণু।

শরীরের ক্ষতির কারণ অ্যান্টিবায়োটিক : পৃথিবীর কোথাও প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেনা যায় না। আমাদের দেশে ওষুধের দোকানে যে কেউ চাইলেই অ্যান্টিবায়োটিক পেয়ে যায়। আমাদের দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগই নেই। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু অনেকেই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খান ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই। আবার অনেকে নির্দিষ্ট কোর্স শেষ করেন না। এতে ভয়ংকর ক্ষতি হয় শরীরের। এ প্রসঙ্গে হলি ফ্যামিলি কলেজ এবং হাসপাতালের নাক, কান গলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেছেন, সাধারণত ভাইরাল ইনফেকশন যেমন সর্দি, কাশি জ্বর এসবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যদি ইনফেকশন বা সংক্রমণ দ্বিতীয় পর্যায়ে যায় তখন দেয়া যেতে পারে।

রোগ সারানোর ওষুধ মিলবে না : রোগতত্ত্ব রোগ নির্ণয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) ‘অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল সারভেইলেন্সের ফলাফল’ বিষয়ক আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা জানান, দামি দামি অ্যান্টিবায়োটিকের কর্মক্ষমতা কমে ৫০ শতাংশের নিচে চলে এসেছে। যেভাবে ব্যবহার হচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে রোগ থেকে মানুষকে সারিয়ে তুলতে আর নতুন কোনো ওষুধ পাওয়া যাবে না। আলোচনায় বক্তারা বলেন, সারভেইলেন্সের ফলাফলে বলা হয় অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে যাওয়ার কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষ মারা যাবে ওষুধ না পেয়ে। ক্যান্সারেই মারা যাবে ৮২ লাখ, কলেরায় মারা যাবে এক লাখ থেকে এক লাখ ২০ হাজার, ডায়াবেটিসে মারা যাবে ১৫ লাখ, ডায়রিয়ায় মারা যাবে এক লাখ ৪০ হাজার, হামে মারা যাবে এক লাখ ৩০ হাজার, রোড অ্যাক্সিডেন্টে এক লাখ ২০ হাজার এবং টিটেনাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে ৬০ হাজার মানুষ।

রঙ লাল করার পরামর্শ : অ্যান্টিবায়োটিকের রঙ লাল করার পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, এটা করে সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে যে, এই লাল রঙ আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই খাবেন না। অ্যান্টিবায়োটিককে এক প্যাকেটে রাখতে হবে।

এর গায়ে নিয়ম লিখা থাকবে যে ৮ ঘণ্টা পরপর এটি খাবেন। অ্যান্টিবায়োটিকের গুরুত্ব, ভয়াবহতা ও করণীয় সম্পর্কে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের পাঠ্যপুস্তকে এক পাতায় শিক্ষার্থীদের জন্য লিখতে হবে। এসব শ্রেণিতে প্রতিটি চূড়ান্ত পরীক্ষায় এ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন রাখার পরামর্শ দেন এই বিশেষজ্ঞ।

অ্যান্টিবায়োটিকের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান : অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা অন্য ওষুধের সঙ্গে এর কোনো ইন্টারঅ্যাকশন আছে কি না তা সাধারণ জনগণের অজানা। অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে গিয়ে অনেকে অন্যান্য সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এ কারণে অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা খুবই জরুরি।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স যাতে না হয়, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে কাজ করা হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু রোডম্যাপ যেমন- অ্যান্টিবায়োটিক পলিসি, ইউজার্স গাইডলাইন, সব ইনস্টিটিউটের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক গাইডলাইন। সেটি নিয়েই আপাতত কাজ করা হচ্ছে। চিকিৎসকদের মাধ্যমে মানুষকে অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে অপ্রয়োজনে কেউ অ্যান্টিবায়োটিক সেবন না করে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System