ছবি: প্রতিনিধি
দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৫৬ বছর পার হলেও এখনো পৃথক ডায়রিয়া ওয়ার্ড না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা। বাধ্য হয়ে বরিশাল জেনারেল হাসপাতাল-এর একটি ছোট ওয়ার্ডেই নারী-পুরুষ একসঙ্গে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, যেখানে শয্যা সংকট ও অব্যবস্থাপনা এখন নিত্যদিনের চিত্র।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটির কম্পাউন্ডে টিনশেড ভবনে মাত্র চার শয্যার একটি ডায়রিয়া ওয়ার্ড রয়েছে। অথচ প্রতিদিন সেখানে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন, যাদের মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন নারী। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকেই মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
নারী রোগীদের অভিযোগ, পুরুষ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে থাকতে হওয়ায় চরম অস্বস্তিতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শয্যার চারপাশে কাপড় টাঙিয়ে অস্থায়ী পর্দা তৈরি করতে হচ্ছে।
বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নার্গিস আক্তার বলেন, বাধ্য হয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, কিন্তু দুই পাশে পুরুষ রোগী থাকায় পরিস্থিতি অস্বস্তিকর। আরেক রোগী সালমা জানান, নারীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড না থাকায় চিকিৎসা নেওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি ২০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। হাসপাতালের পূর্বপাশে ১২ তলা ভবন নির্মাণের কাজও দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, প্রতিদিন ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় শয্যা ও পৃথক ওয়ার্ড না থাকায় নারী-পুরুষ একসঙ্গে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন, অনেক সময় মেঝেতেও চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
এসএইচ







































