• ঢাকা
  • সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ইরানের ১৬৮ স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ভিডিওতে মিলল প্রমাণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক মার্চ ৯, ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
ইরানের ১৬৮ স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ভিডিওতে মিলল প্রমাণ

ইরানের হরমুজগান প্রদেশের মিনাব জেলায় একটি গার্লস স্কুলে ভয়াবহ হামলায় ১৬৮ শিক্ষার্থী ও ১৪ জন শিক্ষক নিহত হওয়ার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই হামলার একটি ভিডিও প্রকাশের পর দাবি উঠেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ঘটেছে।

ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুতগতিতে এসে একটি ভবনে আঘাত হানে। কাছের একটি নির্মাণস্থল থেকে ধারণ করা ওই ফুটেজে বিস্ফোরণের পর আকাশে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিস্ফোরণের স্থানটি মিনাবের শাজরেহ তাইয়িবা গার্লস স্কুলের আশপাশ।

প্রাথমিকভাবে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে হামলার প্রকৃতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন ওঠে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর সঙ্গে কথা বলা অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভিডিওতে দেখা অস্ত্রের গঠন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে মিল রয়েছে। বিশেষ করে মাঝখানে ডানা ও পেছনের টেইলকিটসহ ক্রুশাকৃতির কাঠামো এই ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজ-এর-এর গবেষণা সহযোগী স্যাম লেয়ার বলেন, ভিডিওতে দেখা অস্ত্রটি টিএলএএম বা টমাহক ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইলের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত কোনো অঞ্চলে আকাশসীমার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আগেই হামলার প্রাথমিক ধাপে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত যুদ্ধজাহাজ বা সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপ করা হয় এবং এটি পরিচালনা করে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু ঠিক কোন ভবন ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সিএনএনের বিশ্লেষণে ধারণা করা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত আইআরজিসি পরিচালিত একটি মেডিক্যাল ক্লিনিক অথবা তার পাশের কোনো ভবনে আঘাত হেনেছিল।

এর আগে প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবি, ভিডিওর ভৌগোলিক বিশ্লেষণ এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমও এই হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে।

অন্যদিকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি শুরুতে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করেছিলেন। সূত্র: সিএনএন

এম

Wordbridge School
Link copied!