• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

উপসাগরীয় জ্বালানি ও পানি স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের


আন্তর্জাতিক ডেস্ক মার্চ ২৩, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
উপসাগরীয় জ্বালানি ও পানি স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আল্টিমেটামের প্রেক্ষিতে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও পানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানা হবে। এমন হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোমবার পর্যন্ত একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সতর্ক করেছেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে।

এই পরিস্থিতিতে বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য পাল্টাপাল্টি হামলা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক তেলবাজারে পড়তে শুরু করেছে, যেখানে দাম অস্থির হয়ে উঠেছে।

তিন সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশটি এখনও পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ধরে রেখেছে। রোববার রাতে ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে, যা ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সতর্কতা হিসেবে দেখা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে। অপরদিকে ইরানের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে খোররামাবাদে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে।

ইরানের সামরিক মুখপাত্র জানান, তাদের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সব জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও পানি লবণমুক্তকরণ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারও সতর্ক করে বলেছেন, বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো “অপরিবর্তনীয়ভাবে ধ্বংস” হতে পারে।

এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা দিতে পারে।

সোমবার সকালে সৌদি আরব জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের দিকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে, যার একটি ভূপাতিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২০০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। চলমান উত্তেজনা বিশ্ববাজার, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে।

পিএস

Wordbridge School
Link copied!