সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা।
পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দিবসের শুরুতে দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও বিমানঘাঁটির মসজিদগুলোয় ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি, বাহিনীগুলোর অগ্রগতি এবং ১৯৭১ সালের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বাণী
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিরলস ভূমিকা রেখে আসছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী সংকট মোকাবিলা থেকে শুরু করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান জাতিকে গর্বিত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তার বাণীতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করে বলেন, গত ১৫ মাসে বিভিন্ন জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে থাকা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাহিনীগুলোর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
তিন বাহিনী প্রধানদের শ্রদ্ধা নিবেদন
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর প্রধান উপদেষ্টা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। বাহিনী প্রধানরা পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতেও অংশ নেবেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা
সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৫ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। প্রধান উপদেষ্টা সেখানে ১০১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উত্তরাধিকারীদের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেবেন।
বিকেলে সেনাকুঞ্জে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা
আজ বিকেল ৪টায় সেনাকুঞ্জে আয়োজিত হবে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। এতে প্রধান বিচারপতি, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, বিচারপতি, উচ্চপদস্থ সামরিক–বেসামরিক কর্মকর্তা, বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আমন্ত্রিত। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে।
এম


























-20260722160634.jpg)







-20260725114857.jpg)




