• ঢাকা
  • শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ডা. আবদুল্লাহ যে কারণে জুলাই আন্দোলনে চুপ ছিলেন


নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ২৭, ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
ডা. আবদুল্লাহ যে কারণে জুলাই আন্দোলনে চুপ ছিলেন

ফাইল ছবি

জুলাই আন্দোলনের সময় তৎকালীন স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে কোনো অনুশোচনা ছিল না, বরং তিনি মানসিকভাবে বেশ স্বাভাবিক ও দৃঢ় ছিলেন বলে দাবি করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। একই সঙ্গে নিজেকে অরাজনৈতিক ব্যক্তি উল্লেখ করে জুলাই আন্দোলনের সময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মতো কোনো সামর্থ্য তার ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।

ডা. আবদুল্লাহ জানান, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি ও হত্যাকাণ্ডের সময় শেখ হাসিনা মোটামুটি ভালো ও স্বাভাবিক ছিলেন। চিকিৎসকের নীতি অনুযায়ী রোগীর ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত তথ্য মিডিয়ায় বলা ঠিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে এটুকু বলা যায় তিনি মানসিকভাবে দৃঢ় ছিলেন।

বিশ্ব বিবেক যখন ছাত্র-জনতার রক্তে কাঁদছিল, তখন শেখ হাসিনার এত কাছে থেকেও কেন চুপ ছিলেন-এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. আবদুল্লাহ নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, তখন চুপ থাকা ছাড়া তার কিছু করার সামর্থ্য ছিল না। তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নন, কিংবা কোনো এক্সিকিউটিভ পোস্টে বা ক্ষমতায় ছিলেন না। ফলে ব্যক্তিগতভাবে তার করার কিছু ছিল না। তবে মানুষ হিসেবে মানুষের কষ্ট দেখলে তার কষ্ট লাগত।

আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন সরকারপ্রধানের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ প্রধানসহ বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা তার মন্ত্রী বা বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কৌশলগত আলোচনা করতেন। তিনি সেখানে কখনো যোগদান করেননি এবং ইন্টারফেয়ারও করেননি। তার কাজ ছিল শুধু চিকিৎসা করা এবং তিনি নিজের কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় তার ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল ও বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ একে অন্যায় ও অবিচার বলে দাবি করেন। তিনি মনে করেন, কাজটি অন্যায় হয়েছে এবং তার প্রতি চরম অবিচার করা হয়েছে।

এসএইচ 

Link copied!