• ঢাকা
  • সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

নাশকতায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে: মাহদী আমিন


নিজস্ব প্রতিবেদক নভেম্বর ২, ২০২৬, ০২:১২ পিএম
নাশকতায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে: মাহদী আমিন

ফাইল ছবি

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির যেকোনো পরিকল্পনা সফল হবে না। নাশকতায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা দেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের এক ঐতিহাসিক দিগন্ত উন্মোচন করে। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ও এই শিল্প বিকাশ ও শ্রমিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সেই ধারাবাহিকতায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রমবান্ধব সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে।

গার্মেন্টস শিল্পের সাথে লাখ লাখ শ্রমিক ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য ও প্রাপ্য মজুরি নিশ্চিতের পাশাপাশি শিল্পের সক্ষমতা, উৎপাদন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতার বিষয় বিবেচনায় রেখে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

তবে মজুরি নির্ধারণের ইতিবাচক উদ্যোগের পরও একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের উসকানি ও নাশকতার মাধ্যমে শ্রমিকদের বেতনের দাবিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারখানায় আক্রমণ ও আগুন দেওয়া, পুলিশের গাড়ি ও স্থাপনায় হামলার মতো স্পর্শকাতর কর্মকাণ্ড শ্রমিকদের স্বার্থের পরিপন্থী। শ্রমিক আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে পলাতক অপশক্তির অস্থিরতা সৃষ্টির তথ্য-প্রমাণ ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে।

তিনি মনে করিয়ে দেন, কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরাই, বাড়বে বেকারত্ব ও ব্যাহত হবে দেশের অর্থনীতি। তাই একদিকে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের অধিকার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি সন্ত্রাস, ভাঙচুর ও শিল্প ধ্বংসের কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না।

নাশকতায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

সাধারণ শ্রমিকদের কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, গুজব বা উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, গার্মেন্টস খাত ও পারিপার্শ্বিক বাস্তবতা বিবেচনায় যেকোনো যৌক্তিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় শ্রমবান্ধব এ সরকার সবসময় শ্রমিকদের পাশে থাকবে।

পিএস

Link copied!