• ঢাকা
  • রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় যারা


নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় যারা

ফাইল ছবি

সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে জামায়াতে ইসলামীর ভেতরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা আরও বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক কেন্দ্রীয় সভানেত্রী ডাক্তার তাহসিনা ফাতিমাকে নিয়ে আলোচনা চলার পাশাপাশি এখন দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের পরিবার ও মহিলা বিভাগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেত্রীর নামও সামনে আসছে।

দলীয় সূত্র বলছে, দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রী আমেনা বেগম সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন। একই সঙ্গে নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী হাবিবা রহমান এবং কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দের স্ত্রীর নামও আলোচনা হচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, শীর্ষ নেতৃত্বের পরিবার থেকেও প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি ভাবনা দলের ভেতরে আছে।

অন্যদিকে সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নারী নেত্রীদের নামও জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় নেত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপি, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, সাবেকুন্নাহার, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজ এবং ছাত্রী সংস্থার সাবেক কেন্দ্রীয় সভানেত্রী ডাক্তার তাহসিনা ফাতিমার নাম দলীয় পর্যায়ে শোনা যাচ্ছে। এ তালিকা থেকে বোঝা যাচ্ছে, দলটি শুধু পারিবারিক পরিচয় নয়, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও পেশাজীবী নেতৃত্ব-দুই দিকই বিবেচনায় রাখছে।

মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা ইতিমধ্যে দলের আমিরের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি সেটি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, যোগ্য নারী নেতৃত্বের পাশাপাশি ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিস্তৃত তালিকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে জামায়াত সংরক্ষিত নারী আসনকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করতে চায়। একদিকে আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত নেত্রী, অন্যদিকে সাংগঠনিক দক্ষতা ও শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থাভাজন পরিবার—এই তিন দিক মিলিয়েই দলটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ তালিকা তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাও তাদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ফল অনুযায়ী আনুপাতিক হিসাব করলে জামায়াত জোট প্রায় ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। ফলে চূড়ান্ত মনোনয়ন নিয়ে দলটির ভেতরে প্রতিযোগিতা বেশ তীব্র হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, পেশাগত পরিচয় এবং রাজনৈতিক বার্তা-এই চারটি বিষয় মিলিয়েই শেষ পর্যন্ত সংরক্ষিত নারী আসনের তালিকা নির্ধারিত হতে পারে।

এসএইচ 

Wordbridge School
Link copied!