• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ৫৩৯ অভিবাসী, ৪৩৭ জনই বাংলাদেশি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ০৮:০৩ এএম
গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ৫৩৯ অভিবাসী, ৪৩৭ জনই বাংলাদেশি

গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় গাভদোস দ্বীপের উপকূলে একটি মাছ ধরার নৌকা থেকে ৫৩৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্টগার্ড। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি—৪৩৭ জনই বাংলাদেশের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে গ্রিসের স্থানীয় কোস্টগার্ড কর্তৃপক্ষ (লিমেনার্কিও)।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরে আগিয়া গ্যালিনির দক্ষিণে গভীর সমুদ্র থেকে নৌকাটিকে শনাক্ত করা হয়। পরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা অভিবাসীদের উদ্ধার করে ক্রিট দ্বীপের রেথিম্নো এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তারা রেথিম্নোর কিত্রেনোসি নামের একটি ভবনে অবস্থান করছেন, যেখানে হেলেনিক কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে তাদের নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে চারজন নারী ও দুইটি শিশু রয়েছে, যাদের সবাই ইরিত্রিয়ার নাগরিক। তবে অধিকাংশই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ। রেথিম্নোর কোস্টগার্ড প্রধান কিরিয়াকোস পাত্তাকোস বলেন, “নিবন্ধন শেষ হয়েছে। এখন আমাদের মূল অগ্রাধিকার হচ্ছে মানবপাচারকারী চক্রকে চিহ্নিত করা এবং অভিবাসীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা।”

রেথিম্নো পৌরসভার উপমেয়র (নাগরিক সুরক্ষা) ইয়োরগোস স্কোরদিলিস জানান, এত বিপুল সংখ্যক অভিবাসী সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অবকাঠামো তাদের নেই। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে স্থানীয় প্রশাসন চাপে রয়েছে।” আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে, সোমবার প্রথম ধাপে ৩০০ জন অভিবাসীকে অন্যত্র পাঠানো হবে এবং বাকিদের আগামী সপ্তাহে স্থানান্তর করা হবে।

জাতীয়তা অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছেন ৪৬ জন পাকিস্তানি, ৩৪ জন মিসরীয়, ১২ জন ইরিত্রীয়, ৫ জন সোমালি এবং সুদান, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিনের কয়েকজন নাগরিক। গ্রিক কর্তৃপক্ষের ধারণা, মানবপাচারকারীদের সহায়তায় তারা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল থেকে অন্তত ৩৬ ঘণ্টার ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন।

এ বিষয়ে গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য দূতাবাসে পৌঁছায়নি।

এম

Wordbridge School
Link copied!