শরীয়তপুর শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে আবাসিক হোটেল মেরিডিয়ানকে ঘিরে মাদকসেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, হোটেলটির কক্ষ ভাড়া নিয়ে নিয়মিত মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো হয়। এসব বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ অক্টোবর রাতে হোটেলটিতে অবস্থান করা এক নারী ও পুরুষকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরদিন সকালে তাঁদের আদালতে পাঠায় পুলিশ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই রাতেই পুলিশকে জানানো হয়েছিল যে হোটেলে অভিযান চালালে আরও বেশ কয়েকজন মাদকসেবনকারীকে ধরা সম্ভব। তবে এমন সুনির্দিষ্ট তথ্যের পরও পুলিশ কেন তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করেনি, তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
হোটেলটিতে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে হোটেল মেরিডিয়ানের ম্যানেজার জসিম মোল্লা বলেন, এলাকার পরিচিতজনরা এসে রুমে বসেন। ভেতরে কে কী করে, তা তাঁদের জানা থাকে না।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে হোটেল মেরিডিয়ানের মালিক সোহেল খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
তবে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওশনা জাহান জানান, লিখিত বা সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, আবাসিক হোটেলটির অতিথি নিবন্ধন ও সার্বিক পরিচালনাব্যবস্থার পাশাপাশি মাদক বা অন্য কোনো আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এসএইচ