• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০১ মার্চ, ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০

নকলে বাধা দেয়ায় শিক্ষকের দুই গালে ছাত্রের চড়


চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি অক্টোবর ৯, ২০২৩, ০৪:২০ পিএম
নকলে বাধা দেয়ায় শিক্ষকের দুই গালে ছাত্রের চড়

চুয়াডাঙ্গা : দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল-আমিনের ছেলে সাইফুল আমিন শীর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন অসদুপায় অবলম্বন করছিলেন। সে কাজে বাধা দেওয়ায় ওই শ্রেণীকক্ষে দায়িত্বরত বাংলা বিভাগের সহকারী শিক্ষক হাফিজুর রহমানের দুই গালে চড় মেরে পালিয়ে যান সাইফুল।

রোববার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটলেও এদিন রাতে চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ সফিয়ার রহমান সদর থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ের ১১২ নম্বর কক্ষে এসএসসি. নির্বাচনী পরীক্ষার দায়িত্বপালন করছিলেন সহকারী শিক্ষক হাফিজুর রহমান। পরীক্ষা চলাকালীন এ বিদ্যালয়ের প্রভাতী শাখার দশম শ্রেণির ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থী সাইফুল আমিন শীর্ষ পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন।এমতাবস্থায় দায়িত্বরত শিক্ষক বাধা প্রদান করায় ওই শিক্ষার্থী শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পরীক্ষার্থী সাইফুল আমিন শীর্ষ পরীক্ষা দেওয়ার সময় অসদুপায় অবলম্বন করলে তার খাতাটি দায়িত্বরত শিক্ষক কেড়ে নেন। এরপর তাকে শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। সে সময় শিক্ষক তাকে দুই কাঁধ চাপ দিয় আসনে বসিয়ে দেন। তারপর শিক্ষার্থী শীর্ষ নিজের আসন থেকে উঠে গিয়ে পিছনে হাত রেখে ওই শিক্ষকের মুখোমুখি দাঁড়ান। সে সময় কথা বলার পরপরই তিনি শিক্ষকের দুই গালে চড় মেরে পালিয়ে যান। এরপর লাঞ্ছিত শিক্ষক খাতাটি নিয়ে শ্রেণীকক্ষ থেকে বের হয়ে যান।

চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ সফিয়ার রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, এ বিদ্যালয়ের সভাপতি জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তিনি থানায় অভিযোগপত্র দিতে পরামর্শ দেন। সেই মোতাবেক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। শিক্ষককে চড় মেরে ছাত্রটি গর্হিত অপরাধ করেছেন।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই ছাত্রের ছাত্রত্ব রাখবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিক্ষকদের হাত থেকে যেদিন বেত কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তারপর থেকেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এটা তারই প্রতিফলন।

এমটিআই

Wordbridge School
Link copied!