কুমিল্লা: তিতাসের কলাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব, স্বৈরাচারের দোসর কুলাঙ্গার সাবিকুলের ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি, আলেমদের শানে বেয়াদবি ও ২৪ এর জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে সর্বস্তরের মুসলিম ছাত্র-জনতা ৭ দফা দাবি ঘোষণা করেছেন।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সাড়ে এগারোটায় তিতাস প্রেসক্লাবে এসে এই দাবি উপস্থাপন করেন মুসলিম ছাত্র -জনতার পক্ষে মো. সাইফুল ইসলাম।
দাবি গুলো হলো
১. সাবিকুল প্রকাশ্যে বিজ্ঞ আলেমের উপস্থিততে তওবা করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে।
২. সাবিকুলকে ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যা ৫টার মধ্যে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করতে হবে এবং আজীবনের জন্য বিএনপির রাজনীতি তার জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে।
৩. সে যেন পরবর্তীতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়ে অপকর্ম করতে না পারে সেজন্য সকল রাজনৈতিক দলের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
৪. তিতাস উপজেলা প্রশাসনকে আহবান করছি, সাবিকুলকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
৫. কালাচান্দকান্দি গ্রামের অন্যতম মাজার পূজারি, শিরকের ইন্ধনদাতা মফিজ ভান্ডারিকে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পদ-পদবীতে রাখা যাবে না। এবং তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে ছাত্র-জনতার নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। এবং কালাচান্দকান্দি গ্রামে আর কোনোদিন গান-বাজনা করবেনা এই মর্মে মুচলেকা দিতে হবে।
৬. কলাকান্দি ইউনিয়নে মাজার কেন্দ্রিক গান-বাজনা, গাজার আসর সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
৭. জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের কারণে যোদ্ধাদের নিকট প্রকাশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে সাবিকুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
অনতবিলম্বে ছাত্র-জনতার দাবি দাওয়া মেনে নিতে আহবান করেছে। অন্যথায় ছাত্র-জনতা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে হুশিয়ারী দিয়েছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, তিতাস উপজেলা হেফাজত ইসলামের সহ-সভাপতি মো. যাইনুল আবেদিন, ওলামা পরিষদ কলাকান্দি ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল আউয়াল, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান মাজাহারী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যোদ্ধা আবু সাঈদ, ফয়সাল, মো.নুর মোহাম্মদ ও মেহেদী হাসান।
এআর
























-6a397791a3645-20260622190839.jpg)














-6a32f19d55b2f-20260617232139.jpg)