• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

শরীয়তপুরে ১৪ কিলোমিটার এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন


শরীয়তপুর প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
শরীয়তপুরে ১৪ কিলোমিটার এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

ছবি : প্রতিনিধি

শরীয়তপুর: শরীয়তপুর শহরে বসবাসরত ও চলাচলরত নাগরিকদের নিরপত্তা নিশ্চিতে প্রায় ১৪ কিলোমিটার এলাকায় এআই প্রযুক্তির সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে জেলা প্রশাসন।

এর মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন বাজার ও বিপণিবিতানের দ্রব্যমূল্য পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ, অপরাধমূলক কাজ প্রতিরোধ, মাদকদ্রব্য বিক্রি ও ব্যবহার প্রতিরোধ, চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধ সম্ভব হবে বলে আশা করছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে কীর্তিনাশা নদী। শহর থেকে ঢাকা, চাঁদপুর ও মাদারীপুরমুখী সড়কসহ বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর এলাকায় সংযোগ সড়ক রয়েছে। পালং, আংগারিয়া ও মনোহর বাজারকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বাণিজ্যিক কেন্দ্র। পাশাপাশি সরকারি কলেজ, বিদ্যালয়, হাসপাতাল, বাস টার্মিনাল, আদালত, প্রশাসনিক কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে।

সম্প্রতি শহরে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি, হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জেলা কেন্দ্রীয় মন্দিরের দুটি দানবাক্স ভেঙে টাকা লুট করা হয়। এর আগে কীর্তিনাশা নদীতে ডাকাতির সময় গণপিটুনিতে সাতজন নিহত হন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, চুরি ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টার ঘটনাও আলোচনায় রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে নাগরিক নিরাপত্তা জোরদারে জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমের উদ্যোগে শহরজুড়ে সিসিটিভি নজরদারি কার্যক্রম শুরু করেন।

তিনটি প্রধান সড়ক ও সংযোগ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১২০টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এরমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বাসস্ট্যান্ড, ধর্মীয় ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাও এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। এর সাথে কীর্তিনাশা নদীর কোটাপাড়া এলাকায় নৌপথেও নজরদারি বসানো হয়েছে।

স্থাপিত ক্যামেরাগুলোতে এআই প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। দুর্ঘটনা, যানজট, অগ্নিকাণ্ড, সন্দেহজনক চলাচল বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শনাক্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত যাবে নিয়ন্ত্রণকক্ষে।

সিসিটিভিগুলো জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কাজে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশও এ সুবিধা ব্যবহার করবে।

জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে ইভটিজিংসহ নানা অভিযোগ ছিল। অভিযান চালিয়েও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছিল না। তাই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আশা করেন, এতে অপরাধপ্রবণতা কমবে। পর্যায়ক্রমে পুরো পৌর এলাকা ও জেলার অন্য পৌরসভায় এই প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা চালু করা হবে।

পিএস

Wordbridge School
Link copied!