• ঢাকা
  • শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

হিলি স্থলবন্দরে মসলার আমদানি বাড়ায় কমেছে দাম


দিনাজপুর (হিলি) প্রতিনিধি মে ২৩, ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
হিলি স্থলবন্দরে মসলার আমদানি বাড়ায় কমেছে দাম

ছবি : প্রতিনিধি

দিনাজপুর: কুরবানী ঈদকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে মসলা পণ্যের আমদানি। আগে যেখানে দিনে ৫ থেকে ৬টি করে ভারতীয় ট্রাক আমদানি হতো বর্তমান তা বেড়ে ২০ থেকে ২২টি ট্রাক মসলা পণ্য আমদানি হচ্ছে। ফলে দাম কমতে শুরু করেছে প্রতিটি মসলা পণ্যের।

গত ঈদে যেখানে জিরা বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২'শ টাকা। সেই জিরা বর্তমান খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫’শ থেকে সাড়ে ৫’শ টাকা। এছাড়াও কমেছে সাদা এলাচ,কালো এলাচ, রসুন ও পেঁয়াজের দাম। তবে বেড়েছে আদার দাম।

এদিকে মসলার দাম কমায় স্বস্তিতে সাধারণ ক্রেতারা। অপরদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, কুরবানি ঈদ উপলক্ষে দেশের বাজারে মসলা পণের চাহিদা বেড়ে যায়,আর সেই চাহিদা মেটানোর জন্য আমদানিকারকরা আমদানি বাড়িয়ে দেয় যার কারণে আগের তুলনায় আমদানিটা অনেক বেড়ে গেছে, সেই সাথে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে।

আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, দেশের সীমান্তবর্তী ও স্থলবন্দর এলাকা হিলি। তাই এখানকার মসলা দামে কম ও মানে ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মসলা কিনতে আসেন অনেকে। তবে দেশের বাজারে কুরবানী ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়ে যায় জিরা, এলাচ, আদা, রসুন থেকে শুরু করে সব ধরনের মসলার চাহিদা, আর সেই চাহিদা যোগান দিতে আমদানি করেন আমদানিকারকরা। যার কারণে বেড়ে গেছে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে মসলার আমদানি। 

হিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট রেজা আহমেদ বিপুল বলেন,আগে যেখানে প্রতিদিন ৫-৬ ট্রাক মসলা পণ্য আমদানি হতো সেখানে বর্তমান প্রতিদিনই ২০-২২ ট্রাক মসলা পণ্য আমদানি হচ্ছে। ফলে দাম কমতে শুরু করেছে প্রতিটি মসলা পণ্যের।

হিলি বাজারে মসলার খুচরা বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, গত ঈদে যেখানে জিরা বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২’শ টাকা সেই জিরা বর্তমান খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫’শ থেকে সাড়ে ৫’শ টাকা। যে সাদা এলাচ বিক্রি হয়েছিল সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায় সেই এলাচ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ২’শ টাকায়।

এছাড়াও কালো এলাচ বিক্রি হয়েছিল ৩ হাজার ২’শ টাকায়। আর বর্তমাণে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪’শ থেকে ২ হাজার ৮’শ টাকায়।

এদিকে প্রতিবছর পেয়াজের দাম বৃদ্ধি হলেও এইবার কমেছে। প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি দরে, আর রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। তবে বেড়েছে আদার দাম। কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা দরে। তবে মসলার দাম কমায় দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা মসলা কিনতে ভির করছে দোকানগুলোতে।

রহিম নামের এক ব্যক্তি মসলা কিনতে এসে বলেন, ঈদ আসলেই মসলার দাম বেড়ে যায় কিন্তু এইবার দাম বাড়ার পরিবর্তে কমেছে। যার কারণে ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দে কিনতে পারছেন।

পিএস

Link copied!