ছবি : প্রতিনিধি
পিরোজপুর: টানা বৃষ্টির মধ্যেও শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দীঘিরজান বাজারের কোরবানির পশুর হাট। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে জেলার অন্যতম বৃহৎ এ হাটে শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বৃষ্টির মধ্যেও হাটজুড়ে ছিল ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ছোট-বড় গরু, মহিষ ও ছাগলে ভরে গেছে হাটের প্রতিটি অংশ। বৃষ্টির কারণে কাদা সৃষ্টি হলেও পশু কেনাবেচায় তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।
তবে গরু কিনতে আসা নরুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুস ও মাসুদ করিমসহ একাধিক ক্রেতাদের অভিযোগ, বিক্রেতারা পশুর দাম অতিরিক্ত হাঁকাচ্ছেন। গরুর প্রকৃত দাম সম্পর্কে বিক্রেতাদেরও স্পষ্ট ধারণা নেই। এখানে দুই-তিন লাখ টাকার নিচে যেন কোনো গরুই নেই। দাম শুনলেই ভয় লাগে। অনেক বিক্রেতা বাজার যাচাই না করেই বেশি দাম চাচ্ছেন। আমরা গরু ক্রয় করতে হিমসিম খাচ্ছি।
অন্যদিকে মিকচান ও রমিজ নামে দুই বিক্রেতা বলছেন, পশুর খাদ্য ও লালন-পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বেশি দাম চাইতে হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে খাবারের বাড়তি খরচ বহন করে গরু প্রস্তুত করতে হয়েছে। তাই লাভের আশায় একটু বেশি দাম চাওয়া হচ্ছে।
হাট ইজারাদার কাউয়ুম শেখ জানান, কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই হাটে পশুর সরবরাহ ও ক্রেতার সংখ্যা বাড়ছে। দুপুরে হটাৎ বৃষ্টি হলেও হাটে মানুষের উপস্থিতি কমেনি। এ হাটের বেচাকেনা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে বলেও জানা তিনি।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুন কুমার সিকদার বলেন, হাটে ভারতীয় ও মিয়ানমারের গরু না আসায় স্থানীয় খামারিরা লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২০টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম মাঠে কাজ করছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
পিএস







































