• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড


পিরোজপুর প্রতিনিধি জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ছবি : প্রতিনিধি

পিরোজপুর: পিরোজপুরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলার আসামি তন্ময় মিস্ত্রিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসাথে অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পিরোজপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনাল আদালত এ রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তন্ময় মিস্ত্রি জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার সিংহখালী গ্রামের উত্তম কুমার মিস্ত্রির ছেলে। 

এজাহার সূত্রে জানাযায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী ভান্ডারিয়া উপজেলার বেতাগী সিংহখালী কেশব লাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। সে অংক প্রাইভেট পড়ার জন্য একই গ্রামের সুবোধ মাষ্টারকে ঠিক করার জন্য ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ তারিখ সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে তার নিজ বাড়ী থেকে যাওয়ার পথে সকাল ৯ টার দিকে আসামি তন্ময় মিস্ত্রীর বাড়ীর দক্ষিণ পাশে রাস্তায় পৌঁছলে আসামি তন্ময় মিস্ত্রী কিশোরীর তার সাথে কথা বলার জন্য কাছাকাছি আসে এবং তার মুখ চেপে ধরে স্থানীয় অমল মিস্ত্রীর বসত ঘরের পূর্ব পাশের একটি রান্না ঘরে নিয়ে মাটিতে শুইয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার কথা কারো কাছে না বলার জন্য কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। 

পরে ঘটনা জানাজানি হলে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। 

এতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট মো: শওকত হোসেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি বলেন, আদালত মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট আলামত পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় দিয়েছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এই রায়ে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে আমরা মনে করি।

পিএস

Link copied!