• ঢাকা
  • শনিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে ২ হাজার টাকা দাবি, পরে ৭০০ টাকা নিলেন এএসআই


শরীয়তপুর প্রতিনিধি অক্টোবর ২, ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে ২ হাজার টাকা দাবি, পরে ৭০০ টাকা নিলেন এএসআই

ছবি : প্রতিনিধি

শরীয়তপুর: শরীয়তপুরের জাজিরা থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়ে ২ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নাজিমের বিরুদ্ধে। পরে দরাদরির একপর্যায়ে ৭০০ টাকা দেওয়ার কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। 

ভুক্তভোগী মো. রবিন মাদবর (২৩) জাজিরা উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি গ্রামের সেলিম মাদবরের ছেলে।

ভুক্তভোগী জানায়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য অনলাইনে আবেদনের পর তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই নাজিম ফোন করে থানায় যেতে বলেন। থানায় যাওয়ার পর রবিনের সঙ্গে এএসআই নাজিমের কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডে শোনা যায়। এতে রবিনকে টাকার অঙ্ক কমানোর জন্য অনুরোধ করতে শোনা যায়। তিনি নিজের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে বলেন, তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন এবং ২ হাজার টাকা দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়।

একপর্যায়ে এএসআই নাজিমকে ১ হাজার টাকা দাবি করতে শোনা যায়। এর আগে ৫০০ টাকায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হয়ে যায়, এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি আপত্তি জানান। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি অশালীন ভাষাও ব্যবহার করেন।

অডিওর পরবর্তী অংশে রবিনকে বলতে শোনা যায়, “স্যার, আপনার ফাইলের নিচে টাকা রাখলাম।”

রবিন মাদবর বলেন, তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রয়োজনীয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়ে টাকা নিয়ে দরাদরি করতে হয়েছে। পরে অনেক আকুতি মিনতি করে ৭০০ টাকা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন রবিন।

অভিযোগের বিষয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নাজিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রবিনের বাবার ভোটার আইডি কার্ড ও বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ছিল না সেটি দিয়ে যেতে বলেছিলাম। দিয়ে গেছে। ভুক্তভোগীর কাছে টাকা চাওয়া ও টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কিছু হয়নি।

এবিষয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মহিউদ্দিন মিরাজ মুঠোফোনে বলেন, ‘‘বিষয়টি আমার নজরে আসেনি। যদি এমন কিছু হয়ে থাকে তবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’

পিএস

Link copied!