• ঢাকা
  • বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ


ঝালকাঠি প্রতিনিধি  অক্টোবর ১৪, ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ

ছবি : প্রতিনিধি

ঝালকাঠি: ঝালকাঠির রাজাপুর সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য যোগদানকৃত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল্লাহ খানের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও অশোভন মন্তব্য’র অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে এর প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ছাত্রীদের অভিভাবকরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর সোমবার বেলা ১১টার দিকে দশম শ্রেণির ক্লাসে গিয়ে ওই শিক্ষক ছাত্রীদের উদ্দেশে অশ্লীল,অপ্রাসঙ্গিক ও সম্মানহানিকর কথাবার্তা সহ নানা অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলেন বলে অভিযোগ করা হয়। 

অভিভাবকদের দাবি, তার বক্তব্য সিসি টিভি ফুটেজে ধারণ করা আছে এবং প্রতিটি শ্রেণিকক্ষেই তিনি একই ধরনের আচরণ করেন। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবর্তে নিজের পারিবারিক সম্পদের বিবরণ এবং ছাত্রীদের চারিত্রিক বিষয়ে আলোচনা করেন, যা একজন শিক্ষকের জন্য অশোভন।

অভিযোগপত্রে অভিভাবকরা উল্লেখ করেন, একটি বালিকা বিদ্যালয়ে এ ধরনের আচরণে শিক্ষার্থীরা ভীত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার এবং ওই শিক্ষককে দ্রুত অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগপত্রে দশম শ্রেণির অন্তত ১০ জন অভিভাবকের স্বাক্ষর রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায়, ক্লাসে এসে স্যারে তার সম্পদের বড়াই করে। আমাদেরকে সে বলে যে তার একটি রয়েল এন্ড ফিল্ড বাইক আছে,আই ফোন আছে,স্যামসাং মোবাইল আছে,কার আছে,বরিশালে ফ্লাট আছে। যে কাজগুলো আমরা করি না,অন্য কোনো স্কুলের  ছাত্র-ছাত্রীরা করছে সেটা নিয়ে অশ্লীল আলোচনা করে।

এ বিষয়ে অভিযোগের অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বরিশালের উপ-পরিচালক, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকেও দেওয়া হয়েছে। 

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল্লাহ খান জানান, আমি এখানে যোগাদান করার পর থেকে নবম ও দশম শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছি। এখানে আগে গাইড দিয়ে প্রশ্নপত্র হতো, এখন ইন হাউজ প্রশ্ন হয়। আগে ক্লাস নিয়মিত হতো না, এখন হয় এবং ছাত্রদের উপস্থিতি অনেক বেশি। এখানে আমি যোগদানের পূর্বে অনেক স্বজনপ্রতি সহ নানা সমস্যা ছিলো, যেগুলো আমি শিক্ষকদের নিয়ে সমাধান করেছি।পরিবর্তন গুলোর কারণে কিছু কিছু শিক্ষক অসন্তুষ্ট। তারা আমার নামে এই অভিযোগ দেওয়াচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন, অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পিএস

Link copied!