• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ডিএসইকে সাত ব্রোকার হাউজের অনিয়ম খতিয়ে দেখার নির্দেশ


নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২১, ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
ডিএসইকে সাত ব্রোকার হাউজের অনিয়ম খতিয়ে দেখার নির্দেশ

ফাইল ছবি

ঢাকা: মার্জিন ঋণের বিপরীতে অনাদায়ি ক্ষতি (নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লস) সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদন দাখিল করেনি নিবন্ধিত সাত ব্রোকারেজ হাউজ। এ ছাড়া বিভিন্ন অনিয়মের কারণে হাউজগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে নিয়ম অমান্য করা প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক অবস্থা, মার্জিন ঋণ এবং কার্যক্রমের বাস্তব চিত্র সরেজমিন পরিদর্শন করে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছে কমিশন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) এ বিষয়ে বিএসইসি থেকে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো— সলতা ক্যাপিটাল, বেক্সিমকো সিকিউরিটিজ, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডস, স্নিগ্ধা ইক্যুইটিজ, সোনালী সিকিউরিটিজ, ট্রেড এক্স সিকিউরিটিজ এবং এসবিআই সিকিউরিটিজ।

বিএসইসির মতে, নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লস-সংক্রান্ত তথ্য বাজার তদারকির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্যের মাধ্যমে বোঝা যায় কোনো ব্রোকারেজ হাউজ অতিরিক্ত ঝুঁকিতে আছে কি না, তাদের মার্জিন ঋণের অবস্থা কী এবং বিনিয়োগকারীদের অর্থ কতটা নিরাপদ। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত প্রতিবেদন না দেওয়ায় কঠিন হয়ে পড়ছে বাজারের প্রকৃত পরিস্থিতি মূল্যায়ন।

কমিশন জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওই সাত স্টেকহোল্ডার ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে না, যা গভীর উদ্বেগের। নিয়মিত রিপোর্ট না দেওয়া আইনের বড় ধরনের লঙ্ঘন। এতে বাজারের স্বচ্ছতা নষ্ট হয়, নজরদারিতে সমস্যা হয় এবং শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য তৈরি হয় ঝুঁকি।

এ পরিস্থিতিতে ডিএসইকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি। প্রথমত, অবিলম্বে ওই সাত ব্রোকারেজ হাউজে সরেজমিন (অন-সাইট) পরিদর্শন করে তাদের প্রতিবেদন না দেওয়ার কারণ, প্রকৃত মার্জিন ঋণ, নেগেটিভ ইক্যুইটি ও লোকসানের বাস্তব অবস্থা এবং আইন পরিপালনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। 

দ্বিতীয়ত, নিয়মভঙ্গকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। 

তৃতীয়ত, হাউজগুলো যাতে দ্রুত বকেয়া প্রতিবেদন জমা দেয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

চতুর্থত, এই চিঠি পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পরিদর্শনের ফলাফল, হাউজগুলোর আর্থিক ঝুঁকি ও সক্ষমতা, গৃহীত ব্যবস্থা এবং ডিএসইর সুপারিশসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে কমিশনে।

এএইচ/পিএস

অর্থনীতি বিভাগের আরো খবর

Link copied!