• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-ইরানের বিপরীত অবস্থান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক মার্চ ২৬, ২০২৬, ১২:০১ পিএম
যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-ইরানের বিপরীত অবস্থান

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রায় চার সপ্তাহের যুদ্ধ শেষ করতে ইরান মরিয়া হয়ে একটি চুক্তি করতে চায়। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি বলেছেন তার দেশ একটি মার্কিন প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে, কিন্তু সংঘাত কমানোর জন্য কোনো আলোচনা করার ইচ্ছা নেই।

বিরোধপূর্ণ এই বক্তব্যগুলো এসেছে যখন যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতি বাড়ছে, জ্বালানি সংকট বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে এবং কোম্পানি ও দেশগুলো এর প্রভাব সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সংলাপ বা আলোচনা না হলেও বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে।

তিনি বুধবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর মাধ্যমে বার্তা পৌঁছানো এবং আমরা আমাদের অবস্থান জানানো বা প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা দেওয়া—এগুলোকে আলোচনা বা সংলাপ বলা যায় না।’

পরে বুধবার ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতারা  “আসলে আলোচনা করছে এবং তারা খুবই চায় একটি চুক্তি করতে, কিন্তু তারা তা বলতে ভয় পাচ্ছে কারণ নিজেদের জনগণের হাতে নিহত হওয়ার আশঙ্কা আছে। তারা এটাও ভয় পাচ্ছে যে আমরা তাদের হত্যা করতে পারি।”

ট্রাম্প উল্লেখ করেননি, ইরানের কার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করছে, বিশেষ করে যখন ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে, যার মধ্যে অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও রয়েছে। এরপর ইরান ইসরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি ও উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন এবং তার স্থলাভিষিক্ত হন তার ছেলে মোজতবা, যিনি নিজেও হামলায় আহত হয়েছেন এবং নিয়োগের পর থেকে তাকে কোনো ছবি বা ভিডিওতে দেখা যায়নি।

এই সংঘাতের প্রভাব, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, বিমান সংস্থা থেকে সুপারমার্কেট এবং ব্যবহৃত গাড়ি বিক্রেতা—সবাই বাড়তি খরচ, কমে যাওয়া চাহিদা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের মতো সমস্যায় পড়েছে।

কৃষক ও জেলেরা তাদের ট্রাক্টরের জন্য ডিজেল সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছে এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মতে, যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে আরও কয়েক কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে।

পিএস

Wordbridge School
Link copied!