ফাইল ছবি
ঢাকা:সোনার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ সুদের হার নিয়ে উদ্বেগ কমে আসায় সপ্তাহজুড়ে মূল্যবান এই ধাতুর দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৭১৫.৪৯ ডলারে পৌঁছেছে। আর জুন মাসে ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৭২৫ ডলার।
ক্যাপিটাল ডটকমের জ্যেষ্ঠ আর্থিক বাজার বিশ্লেষক কাইল রডা ব্রিটিশ বার্তাসংস্থাটিকে বলেন, নতুন করে সংঘাতের শঙ্কা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি নিয়ে এখনও আশাবাদী বিনিয়োগকারীরা। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ এখনও অব্যাহত রয়েছে। এই খবর আপাতত সোনার বাজারে বিনিয়োগে সাহস দিচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সোনার দাম ১০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, যার পেছনে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি বড় ভূমিকা রেখেছে। অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে, ফলে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। যদিও সোনাকে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়, তবুও উচ্চ সুদের হার সাধারণত সুদবিহীন এই সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
শুক্রবার সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুগুলোর দামও বেড়েছে বিশ্ববাজারে। এদিন সকালে রুপার দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৯ দশমিক ৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৫৪ দশমিক ২২ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৫০৮ দশমিক ১৬ ডলারে উঠেছে।
এদিকে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে বর্তমানে।
পিএস







































