ফাইল ছবি
ঢাকা: দিনের শুরুতে দাম কমে দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেলেও শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়িয়েছে সোনার বাজার। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) আন্তর্জাতিক বাজারের স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪০.২৭ ডলারে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারস ০.৪ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫৪৪ ডলারে নেমে আসে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এখনও সোনার দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ এ বছর সুদের হার কমাবে—এমন প্রত্যাশা অনেকটাই কমে গেছে। বরং বছরের শেষ দিকে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনাই এখন বেশি দেখা যাচ্ছে, যা সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১১০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
বিনিয়োগকারীদের চাহিদা কমে যাওয়ায় বড় বড় ব্যাংকগুলো সোনার দামের পূর্বাভাস কমাতে শুরু করেছে। জে.পি. মরগ্যান ২০২৬ সালের গড় স্বর্ণমূল্যের পূর্বাভাস প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৭০৮ ডলার থেকে কমিয়ে ৫ হাজার ২৪৩ ডলারে নামিয়েছে।
মূল্যবান অন্যান্য ধাতুর বাজারেও পতন দেখা গেছে। স্পট সিলভার ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৫.৭০ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও ০.২ শতাংশ করে কমেছে।
পিএস







































