ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেখ ৩৯০ রানে অল আউট হয়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ লিড নিয়েছে ৪৩৬ রান। ফলে পাকিস্তানকে জিততে হলে ৪৩৭ রান করতে হবে।
সিলেটে তৃতীয় দিন শেষ ব্যাটার হিসেবে ১৩৭ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিক। সাজিদ খানকে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ আব্বাসকে। তিনই আউট হলে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। অপরপ্রান্তে ০ রানে অপরাজিত ছিলেন নাহিদ রানা।
লিটন দাসের সঙ্গে মুশফিকের জুটি হয় ১২৩ রানের। এই জুটিই ম্যাচের ভিতটা গড়ে দেয়। ৬৯ রানে হাসান আলীর বলে তিনি বিদায় নিলে ২৩৮ রানে ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে তাইজুল বেশ ভালো সাপোর্ট দেন মুশফিককে। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ২২ রান। মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি হয় ৭২ রানের। ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
তাসকিন ৬ ও শরিফুল করেন ১২ রান। তবে একপ্রান্তে অবিচল থাকা মুশফিক তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি। যা কিনা বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে কোনো ব্যাটারের একক সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা। টপকে গেছেন ১৩ সেঞ্চুরি মালিক মুমিনুল হককে। ১৩৭ রানের ইনিংসটি মুশফিক সাজিয়েছেন ১২ চার ও এক ছক্কায়।
তৃতীয় দিনের শুরুতে আউট হয়েছেন শান্ত। ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। খুররম শাহজাদের বলে সাজঘরে ফেরেন তিনি লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। আর প্রথম দিন তানজিদ হাসান তামিম ৪ ও মুমিনুল আউট হন ৩০ রান করে। ওয়ানডে মেজাজে ৫২ রান করে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন খুররম শাহজাদ। ৩টি সাজিদ খান, দুটি হাসান আলী ও একটি পেয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস।
পিএস







































