• ঢাকা
  • শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

জাল ভোটের ও রাজনৈতিক চক্রান্তের ইঙ্গিত রয়েছে: মাহদী আমিন


নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
জাল ভোটের ও রাজনৈতিক চক্রান্তের ইঙ্গিত রয়েছে: মাহদী আমিন

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লক্ষ্মীপুরে ওই দলের নেতাদের দ্বারা ভোটের সিল তৈরির ঘটনা তারই প্রমাণ। তিনি জানান, ধর্মীয় অনুভূতিকে অপব্যবহার করে এবং জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিপুলসংখ্যক বোরখা ও নিকাবও প্রস্তুত করা হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, লক্ষ্মীপুরে ছয়টি অবৈধ সিল উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় একটি প্রিন্টিং প্রেসের মালিক গ্রেফতার হন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন যে জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতার নির্দেশে এসব সিল তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া অর্ডারের তথ্য, জব্দকৃত আলামত এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার প্রমাণও পাওয়া গেছে, যা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয়। তিনি আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আনার দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নারী কক্ষে পর্যাপ্ত নারী পোলিং অফিসার নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং আইন অনুযায়ী মুখ খুলে ভোটার শনাক্তকরণ কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে হবে। ভোটগ্রহণের সময় নারী পোলিং কর্তৃপক্ষের সামনে মুখ খুলে পরিচয় নিশ্চিত করা এবং নারী কক্ষে নারী পোলিং এজেন্ট নিয়োগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

মাহদী আমিন জানান, নির্বাচনের আগে ওই রাজনৈতিক দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করেছে। অতিরিক্ত ব্যালট ছাপানোর প্রস্তুতির তথ্যও তাদের কাছে এসেছে। রাজধানীর পুরাতন ঢাকার সূত্রাপুরে সেই দলের এক নেতার বাড়ি থেকে ক্রিকেট খেলার ১৫২টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব ঘটনায় জাল ভোটের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, যদি তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাহলে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন, আসন্ন নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগে নানা অসংগতি দেখা দিয়েছে। পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা) নামক একটি সংস্থি সর্বাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। দেশি পর্যবেক্ষক ৫৫ হাজার ৪৫৪ জনের মধ্যে একাই পাশার নিয়োগ ১০ হাজার ৫৫৯ জন। অথচ বাস্তবে হবিগঞ্জের একটি গ্রামের একটি কক্ষই তাদের তথাকথিত কার্যালয়, সেখানে একজন লোকবল আছে। তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকের নামে কিছু প্রতিষ্ঠানের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

বিএনপি নেতা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এসএইচ 

Wordbridge School
Link copied!