• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮
abc constructions

সিএনজি-মোটরসাইকেলের চাপ বাড়ছে রাজধানীতে


নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২১, ০১:০৫ পিএম
সিএনজি-মোটরসাইকেলের চাপ বাড়ছে রাজধানীতে

ঢাকা : কঠোর বিধিনিষেধের চতুর্থ দিনে শনিবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কে গাড়ির বাড়তি চাপ লক্ষ করা গেছে। ব্যক্তিগত ও কোম্পানির নিজস্ব গাড়ি ছাড়াও সড়কে চলছে সিএনজি ও রিকশা। চুক্তিতে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনও চলছে। যাত্রী নিয়ে রাজধানীর প্রধান সড়কে চলছে পিকআপও। আর মোড়ে মোড়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে যাত্রীদের। পুলিশের চেকপোস্টগুলোতে তৈরি হয়েছে গাড়ির জটলা।

রাজধানীর মহাখালী, বনানী, শেওড়া, বসুন্ধরা, নাবিস্কো, সাতরাস্তা, ফার্মগেট ও শাহবাগ ঘুরে দেখা গেছে, সড়কগুলোতে লকডাউনের প্রথম দিনের চেয়ে গতকাল গাড়ির আধিক্য বেশি।

মহাখালীতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখা গেছে, সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির বাড়তি চাপ রয়েছে। মোটরসাইকেল ও রিকশার আধিক্যও দেখা গেছে। লকডাউনের প্রথম দিনের চেয়ে গতকাল এই এলাকায় গাড়ি চলাচলের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়েছে। বনানীতে দেখা গেছে, গাড়ির চাপ এখানেও বেশি। রাস্তায় মানুষের চলাচলও বেশি। মহাখালী থেকে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে বনানীতে ফুটওভার ব্রিজের নিচে গাড়ির জন্যে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

বনানীতে কথা হয় একটি কোম্পানির গাড়িচালক অমিতের সঙ্গে। তিনি বলেন, রাস্তায় যে পরিমাণ গাড়ি চলছে তাতে মনে হয় না লকডাউন। প্রথম দিনের চেয়ে রাস্তায় আজ সব ধরনের গাড়িই বেশি। সেখানে কথা হয় উত্তরার বাসিন্দা রনির সঙ্গে।

তিনি বলেন, পিকআপ, অ্যাম্বুলেন্স বা মোটরসাইকেলে চুক্তিতে উঠে যাব। এ জন্য এখানে অপেক্ষা করছি। রিকশায় গেলে ভাড়া পড়বে বেশি। তাই দাঁড়িয়ে আছি।

মহাখালীতে কথা শাহীনবাগের বাসিন্দা আতাউর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই লকডাউন দেওয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভালো। সবাই রাস্তায় বের হচ্ছে। প্রয়োজন নেই, তার পরও বের হচ্ছে। পোশাক, কলকারখানা, ব্যাংকসহ সব খোলা রেখে লকডাউন হয় না। এই লকডাউনে গরিব ও দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতি হয়েছে। বহু মানুষ গ্রামে যাওয়ায় নতুন করে গ্রামেও করোনা সংক্রমের আশঙ্কা বেড়েছে। নাবিস্কোতে কথা হয় একটি পাম্পের কর্মচারী পলাশের সঙ্গে। তিনি বলেন, রাস্তার গাড়ি দেখলে মনে হয় না লকডাউন।

ফার্মগেটে কথা হয় যাত্রাবাড়ির বাসিন্দা জুয়েলের সঙ্গে। তিনি বলেন, সকালে একটি ব্যবসায়িক কাজে রিকশায় করে যাত্রাবাড়ি থেকে মিরপুর গিয়েছিলাম। ভেঙে ভেঙে যেতে প্রায় ৪০০ টাকা ভাড়া লেগেছে। সাধারণ এ সময়ে সিএনজিতে গেলেও ২০০ টাকায় হয়ে যাওয়ার কথা। বাসে ৩০ থেকে ৪০ টাকা খরচ হয়। সে হিসাবে কয়েকগুণ বেশি খরচ করতে হচ্ছে। এতে আমাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে।

এদিকে, শাহবাগ, নাবিস্কো, মহাখালীসহ বিভিন্ন সড়কে সিএনজি দেখা গেছে। লকডাউনের প্রথম দিন রাস্তায় কোনো সিএনজি লক্ষ করা যায়নি।

এ ছাড়া রাস্তার মোড়ে মোড়ে মোটরসাইকেল নিয়ে চালকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে তাদের চুক্তি করতেও দেখা গেছে।

এ ছাড়া চেয়ারম্যানবাড়ি চেকপোস্টে একটি পিকআপ ভ্যানকে অন্তত ১০ জন যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। অবশ্য এই পিকআপটিকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জরিমানা করতে দেখা গেছে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit
Wordbridge School