ছবি: প্রতিনিধি
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নীলফামারী হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠিত হলে তাদের অন্যতম প্রধান কাজ হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা। তিনি বলেন, “এই এলাকা আবার সবুজ শস্য-শ্যামল হয়ে উঠবে, খাল-বিলগুলোতে পানি ভরে উঠবে এবং কৃষিসহ অন্যান্য কাজে মানুষ আর পানির জন্য কষ্ট পাবে না।”
তারেক রহমান আরও বলেন, “বিএনপি সরকার গঠনের সাথে সাথে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে। আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি মা-বোনকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা। নারী ও কৃষকদের জন্য ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ডসহ নানা পরিকল্পনা নেওয়া হবে, যা তাদের জীবনমান উন্নয়নে সাহায্য করবে। এছাড়া কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণও সুদসহ মওকুফ করা হবে।”
তিনি সমাজের বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা ও শিক্ষাব্যক্তিদের মর্যাদা ও সুরক্ষা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন। তারেক রহমান বলেন, “ভোটারদের ভয় দেখানো বা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা কোন প্রকারে সহ্য করা হবে না। আমাদের লক্ষ্য আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের রাজনীতি।”
তিনি নীলফামারী উত্তরা ইপিজেড সম্প্রসারণ, কলকারখানা স্থাপন, ছেলে-মেয়েদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের মাধ্যমে এলাকার শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন।
বক্তব্য শেষে তিনি নীলফামারীর চার আসনের জোট ও বিএনপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। জনসভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির নেতারা—মীর সেলিম ফারুক, এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেল, আব্দুল খালেক, বিলকিস ইসলাম ও এ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সোয়েম।
এসএইচ







































