কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের নওদাবশ এলাকায় অসুস্থতার ভারে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে শয্যাসায়ী হয়ে আছেন ঝিমিনা বেওয়া। তিনি মৃত একাব্বর আলীর বিধবা কন্যা। জীবনের কঠিন বাস্তবতায় একেবারেই অসহায় হয়ে পড়েছেন এই নারী।
জানা যায়, ঝিমিনা বেওয়ার কোনো সন্তান নেই। অন্যের জায়গায় একটি ঝুপড়ি ঘরে তার বসবাস। তার দেখাশোনার একমাত্র ভরসা স্বামী পরিত্যক্ত ছোট বোন বাচ্চানী বেওয়া। তিনিই দিনভর মানুষের বাড়িতে কাজ করে কোনো রকমে বড় বোনের খাবার, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালানোর চেষ্টা করছেন।
অর্থের অভাবে ঝিমিনা বেওয়াকে কখনো কোনো অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে নেওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শেই চলছে তার চিকিৎসা। কিন্তু দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটছে বলে জানা গেছে।
ঝিমিনা বেওয়া জানান, ছেলে মেয়ে আমার কেউ নেই, ১০ বছর ধরে বিছানায় পড়ে আছি, আমি খুবই অসুস্থ প্রতিদিন আমাকে ওষুধ খেতে হয়, আমার একটি বিধবা বোন আছে সে অন্যের বাড়িতে কাজ যা পায় তা দিয়ে কোন ভাবে জীবন চলছে, বর্তমানে বোন তেমন কাজ করতে পারছে না, আমি ওষুধও খেতে পারছি না টাকার অভাবে, তাই সরকার, দানশীল ব্যক্তি ও সহৃদয়বান ব্যক্তির কাছে আমার আকুল আবেদন আমাকে একটু সাহায্য করুন।
মানবিক সহায়তা পেলে হয়তো উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে কিছুটা সুস্থ হতে পারেন ঝিমিনা বেওয়া। তাই সরকার, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর প্রতি তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে বড়ভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টু জানান, বিষয়টি আমি আপনার কাছে শুনলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের সাথে কথা বলে দ্রুত ঝিমিনা বেওয়াকে সাহায্যের চেষ্টা করব।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে এলে হয়তো আবারও একটু স্বস্তির আলো দেখতে পারেন অসহায় এই নারী।
এম







































