ছবি: প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নে এনায়েতপুর ছড়ার ওপর ঝুঁকিপূর্ণ একটি কাঠের সেতুই এখন পাঁচ গ্রামের মানুষের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম। প্রায় ৩০ বছর ধরে নড়বড়ে এ সেতু দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা।
উত্তর বান্দরমারা ও দক্ষিণ বান্দরমারা সংযোগস্থলে অবস্থিত প্রায় ২০ ফুট দীর্ঘ ও ৪ ফুট প্রশস্ত এ সেতুটি গাছের খুঁটি ও কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি। প্রতিদিন চার হাজারের বেশি মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও দিনমজুররা এটি ব্যবহার করেন।
স্থানীয়রা জানান, বড় বেতুয়া, ছোট বেতুয়া, ঘরকাটা, শেষ ছড়া, হাসনাবাদ, কাঞ্চনা ও বৈদ্যের তলি এলাকার মানুষের জন্য এটি একমাত্র যাতায়াতের পথ। পাকা সেতুর অভাবে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারে না, ফলে কয়েক কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে যেতে হয়। বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটি প্রায় আটটি গাছের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। কোনো খুঁটি নড়বড়ে হলে পুরো যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও মোটরসাইকেল ও সাইকেল চলাচল করছে প্রতিনিয়ত।
স্থানীয় শিক্ষার্থী আমিন জানান, প্রতিদিন ভয় নিয়েই সেতু পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। স্থানীয় দোকানদার রেজাউল করিম বলেন, বর্ষায় অনেক সময় সেতু বন্ধ থাকে, তখন যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া ও ফাতেমা বেগম বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান তারা।
ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, সেতু নির্মাণের জন্য আবেদন করা হয়েছে, তবে এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এসএইচ







































