ফাইল ছবি
ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যায় করা মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
শনিবার (২৩ মে) ডেপুটি সলিসিটর মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্যা কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ এর সেকশন ৪৯২ এর বিধান মতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন পল্লবী থানার মামলা নং ৩৫, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ২০১ পেনাল কোড রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আজিজুর রহমান দুলুকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তার নামের পাশে উল্লেখকৃত পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো:
জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে আটক করা হয়।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, ইয়াবা আসক্ত ছিলেন সোহেল রানা। দরজা খোলার পর মেয়েটিকে দেখে তার বিকৃত যৌন লালসা জেগে ওঠে। এ সময় মেয়েটিকে ডেকে ঘরের বাথরুমে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে গোটা ঘটনা ফাঁস হওয়ার আতঙ্কে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। একপর্যায়ে লাশ গুমে সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন রানার স্ত্রী।
সোহেল জানায়, নিজের অপরাধ ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় একপর্যায়ে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্বামীকে বাঁচাতে লাশ গোপন করার পরিকল্পনা করেন। লাশ গুম করতে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে ফেলা হয়। এছাড়া তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধের কাছ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর লাশ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। এ সময় মেয়েটির মা দরজায় নক করছিলেন। তখন মূল আসামি সোহেল যাতে পালাতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতে স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন। সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পর স্বপ্না দরজা খোলেন। পুরো প্রক্রিয়াতেই সোহেলকে সহযোগিতা করেন তিনি।
পিএস







































