• ঢাকা
  • রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রিমান্ডে কে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ?


নিজস্ব প্রতিবেদক নভেম্বর ১, ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রিমান্ডে কে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ?

ফাইল ছবি

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনে করা এ মামলায় আজ রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান এ আদেশ দেন।

এর আগে বিকেলে আব্দুল হাফিজকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। একই মামলায় গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও লেফটেন্যান্ট গুলশান আরাও বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আব্দুল হাফিজসহ আসামিরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা ও বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি নামে সরকারবিরোধী দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত। এসব গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ এবং সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ইউনিটি কেয়ার ও পাবলিক পার্লামেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আসামিরা সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দলটির পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ছাড়া কালআজকাল.কম নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতায় উসকানিমূলক কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগ রয়েছে। ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে আব্দুল হাফিজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে মামলার এজাহারে আনা অভিযোগগুলো এখনো অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে। আদালতে সেগুলো প্রমাণিত হয়নি।

এসএইচ 

Link copied!