• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

২০২৭ সালে ১০টি ব্লু-চিপ কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে চায় ডিএসই


নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
২০২৭ সালে ১০টি ব্লু-চিপ কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে চায় ডিএসই

ছবি : প্রতিনিধি

ঢাকা: দেশের শেয়ারবাজারে নতুন ও মানসম্মত কোম্পানির তালিকাভুক্তির সংকট কাটাতে ২০২৭ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি ব্লু-চিপ কোম্পানিকে ডিরেক্ট লিস্টিং অথবা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। সরকারি, বহুজাতিক ও দেশীয় বড় কোম্পানিগুলোকে এ প্রক্রিয়ার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডিএসই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দুই বছরের বেশি সময় ধরে পুঁজিবাজারে ভালো কোনো আইপিও বা নতুন লিস্টিং হয়নি। এ অবস্থায় বাজারে নতুন ও মানসম্মত সিকিউরিটিজ আনার জন্য ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের নতুন বিধিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইপিও বিধিমালা সহজ করার কাজও চলছে।’

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি ব্লু-চিপ কোম্পানিকে ডিরেক্ট লিস্টিং বা আইপিওর মাধ্যমে বাজারে নিয়ে আসতে পারব। এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি, বহুজাতিক কিংবা দেশীয় ব্লু-চিপ কোম্পানি হতে পারে।’

বড় ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসার সুযোগ দিতে ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের নতুন বিধিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় প্রতিষ্ঠিত কোনো কোম্পানির নতুন মূলধনের প্রয়োজন না থাকলেও বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের খসড়া বিধিমালা জনমতের জন্য প্রকাশ করেছে।

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, নতুন কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে আইপিও প্রক্রিয়াও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ইস্যুয়াররা যাতে পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহী হয়, সে জন্য আইপিও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশোধিত আইপিও বিধিমালা দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে জনমতের জন্য প্রকাশ করা হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

লিস্টিং ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড়: বড় কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে লিস্টিং ফিতে ছাড় দেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন ডিএসই চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বন্ড লিস্টিংয়ের লিস্টিং ফি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। পাশাপাশি কোনো প্রতিষ্ঠান ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে ডিরেক্ট লিস্টিং বা আইপিওর জন্য আবেদন করলে তার লিস্টিং ফি ৫০ শতাংশ মওকুফ করা হবে।

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাজারে নতুন সিকিউরিটিজ না আসায় যে হতাশা তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে।তিনি বলেন, ‘সরকার, রেগুলেটর, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং আমাদের মার্চেন্ট ব্যাংক—সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই লক্ষ্য পূরণ করতে সক্ষম হব।’

বিএসইসিও বড় ও ভালো কোম্পানিকে দ্রুত পুঁজিবাজারে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

এএইচ/পিএস

Link copied!