সংগৃহিত
সাড়ে তিন কোটি টাকার গাড়ি, পরীমনি আর এক রহস্যময় ‘মাশরুর’—চার বছর পর পুরোনো সেই ঘটনা আবারও আলোচনায়। গাড়িটি আসলে কে দিয়েছিলেন? এতদিনের আলোচিত নামই বা কতটা সত্য?
২০২১ সালে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা দামের মাসেরাতি গাড়ি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে আলোচনায় আসে মাশরুর আরেফিনের নাম। তখন তিনি ছিলেন সিটি ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তবে শুরু থেকেই পরীমনিকে গাড়ি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
পরবর্তীতে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম সংশোধনী দিয়ে জানায়, পরীমনির ঘটনার সঙ্গে মাশরুর আরেফিনের নাম যুক্ত হওয়া ভুল ছিল এবং এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট ও কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, আলোচিত ব্যক্তি মাশরুর আরেফিন নন। তিনি খন্দকার মাশরুর হোসেন মিতু—সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সাবেক স্বামী। তবে এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
এর মধ্যেই পরীমনির সঙ্গে খন্দকার মাশরুর হোসেনের কথিত যোগাযোগ এবং দুবাইয়ে সাক্ষাতের দাবিও সামনে এসেছে। কিন্তু এসব দাবির পক্ষেও এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ফলে পুরোনো গাড়ির ঘটনায় নতুন করে তৈরি হয়েছে ‘মাশরুর রহস্য’। এতদিন যে নাম আলোচনায় ছিল, সেটিই যদি ভুল হয়—তাহলে আসল ব্যক্তি কে? আর পরীমনির সেই সাড়ে তিন কোটি টাকার গাড়িই বা দিয়েছিলেন কে?
চার বছর পেরিয়ে গেলেও প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। বরং পুরোনো রহস্যে যোগ হয়েছে নতুন নাম, নতুন দাবি। গাড়ির মালিকানা থেকে কথিত দুবাই সাক্ষাৎ—সবকিছুর সত্যতা জানতে এখন অপেক্ষা নির্ভরযোগ্য প্রমাণের।
এস



























original1787417799-20260822173831.jpg)











