জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানাকে ঘিরে চলমান আইনি বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আদালতে শুনানির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তামিমা, যেখানে তিনি নাসিরের প্রতি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিয়ের পরপরই তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হোসেন আদালতে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, বৈধভাবে তালাক সম্পন্ন না করেই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসির ও তামিমা—দুজনেরই কারাদণ্ড হতে পারে।
সম্প্রতি আদালতে শুনানি শেষে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এলে ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তামিমা। সেখানে তিনি সমাজের দ্বিচারিতা ও নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেন। তার ভাষ্য, এই সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের বহু ঘটনা ঘটলেও সেগুলো নিয়ে ততটা আলোচনা হয় না, যতটা হয় একজন ডিভোর্সি নারীকে নতুন করে বিয়ে করার বিষয়টি নিয়ে।
তার স্ট্যাটাসটি সোনালীনিউজের পাঠকদের জন্য হুবহুতুল ধরা হলো-
অপরাধ?
হ্যাঁ: অপরাধ তো হয়েছে!
যে কাপুরুষদের সমাজে ছোট শিশু বাচ্চা, বৃদ্ধ মহিলা থেকে শুরু করে প্রেগন্যান্ট মহিলারা পর্যন্ত ধর্ষিত (আর ধর্ষক গর্বিত) সেই সমাজে একজন ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করে সম্মান দেওয়াটা অবশ্যই দণ্ডণীয় অপরাধ। সেই মানুষগুলো কি বিচার পেয়েছে?
কিভাবে পাবে!
তারা তো সেলিব্রিটি না, তাদের নিয়ে নিউজ করলে তো জনগণ দেখবে না, ভিউ ব্যবসা হবে না! ফলোয়ার বাড়বে না, আর টাকাও কামাই হবে না! ইত্যাদি, ইত্যাদি। আমাদের নিয়ে যত নিউজ বা আলোচনা এর ২০% ও যদি ওই সব নারীদের জন্য হতো তাহলে কোনো নারীকে আর এই সমাজে, স্বামীর সংসারে বা কোথাও নির্যাতিত হতে হতো না ।
যে সমাজ নারীদেরকে পায়ের নিচে দাবিয়ে রাখতে চায়, আর নারীদেরকে শুধু ভোগের সামগ্রী মনে করে, সেই কাপুরুষদের সমাজে নাসির আমাকে মাথার মুকুট বানিয়ে রেখেছে। সেই জন্য যারা কাপুরুষ তাদের এতো মাথা ব্যথা হচ্ছে তাই না?
নাসির হোসেন কাপুরুষদের সমাজে আমার বীরপুরুষ।
এম







































