ফাইল ছবি
ঢাকা: শক্তিশালী ডলার এবং অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) দাম বৃদ্ধির চাপে বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
সোমবার (১ জুন) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ০.৭% কমে ৪ হাজার ৫০৫.৮৭ ডলারে নেমে আসে। আগের সেশনে এটি দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারস ১.২% কমে ৪ হাজার ৫৩৫.৯০ ডলারে দাঁড়ায়।
ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারে মূল্যায়িত স্বর্ণ অন্যান্য মুদ্রার ধারকদের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, “তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং এখনও অনিশ্চিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি—এই দুটি বিষয় সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণবাজারকে কিছুটা অস্থির রাখার জন্য যথেষ্ট।”
ট্রাম্প শুক্রবার বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে তিনি শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে সংঘাতের মূল বিষয়গুলোতে দুই দেশের মধ্যে এখনও উল্লেখযোগ্য মতপার্থক্য রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে যে তারা সপ্তাহান্তে ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস সোমবার জানায়, তারা একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
সোমবার তেলের দাম ৩%–এর বেশি বেড়েছে, যা মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
যদিও স্বর্ণকে ঐতিহ্যগতভাবে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ (হেজ) হিসেবে বিবেচনা করা হয়, উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে এটি আকর্ষণ হারায়, কারণ স্বর্ণ কোনো সুদ বা আয় প্রদান করে না।
স্বর্ণের দাম কমলেও অন্য মূল্যবান ধাতুগুলোর মধ্যে, স্পট রূপার দাম ০.৭% বেড়ে প্রতি আউন্সে ৭৫.৮০ ডলারে পৌঁছায়, প্লাটিনাম ১% বেড়ে ১ হাজার ৯৩৫.৬৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৫% বেড়ে ১ হাজার ৩৬০.৯৩ ডলারে দাঁড়ায়।
পিএস







































