• ঢাকা
  • শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭
দ্বিতীয় দিন

রাজধানীর ৫টি হাসপাতালে করোনার টিকাদান শুরু


নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ১০:৫১ এএম
রাজধানীর ৫টি হাসপাতালে করোনার টিকাদান শুরু

ডা. শেখ নুরুল ফাত্তাহ রুমি

ঢাকা : করোনা টিকাদান কার্যক্রম উদ্ভোদনের পর দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতাল থেকে শুরু হয়েছে করোনার টিকাদান কার্যক্রম। দ্বিতীয় দিনে ৫৬০ জনকে টিকা দেওয়া কথা রয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।  

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ছাড়াও, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও মুগদা জেনারেল হাসপাতালে এক যোগে শুরু হয় এই কার্যক্রম। এজন্য হাসপাতালগুলোতে সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রথমে টিকা দেয়া হচ্ছে। 

পর্যায়ক্রমে করোনার সম্মুখসারির যোদ্ধা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সামরিক বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যম কর্মীসহ নীতি মালা অনুযায়ী অন্যান্যদের টিকা দেয়া হবে। প্রথম দিন রাজধানীর এই পাঁচ হাসপাতালে ১০০ জন করে ৫০০ জনকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

দ্বিতীয় দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে করোনাভাইরাসের প্রথম টিকা নিয়েছেন হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. শেখ নুরুল ফাত্তাহ রুমি। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি টিকা নেন।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সংলগ্ন আন্ডারগ্রাউন্ডে তৈরি করা বুথে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ডা. রুমির পর টিকা নেন মেডিসিন বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. ফরহাদ উদ্দিন হাসান চৌধুরী মারুফসহ কয়েকজন চিকিৎসক।

একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এখানে প্রথম টিকা নিলেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে টিকা প্রদান করা হবে যার তালিকা এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ।

এরপরই টিকার নিবন্ধন করতে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে অ্যাপ ‘সুরক্ষা’।  চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও প্রশাসনের লোকজনসহ ১০০ জনের মতো স্বাস্থ্যকর্মীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।  তবে কাউকে জোর করে টিকা দেওয়া হবে না। যারা স্বেচ্ছায় টিকা নিতে চান, কেবল তারাই টিকা পাবেন।

টিকাদানের পর পর্যবেক্ষণ শেষে আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী ব্যাপক হারে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। টিকা নিয়ে কোন সংশয় নেই বলে আবারো জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তবে, পরিকল্পনা অনুযায়ী, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও ৩৭ শতাংশ জনগোষ্ঠী যারা ১৮ বছরের কম বয়সী, তাদেরও টিকা দেওয়া হবে না।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ