ফাইল ছবি
রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে পুলিশ ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বেঁধেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারগ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করছিলেন। পুলিশ তাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ জানালে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জসহ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে সংগঠনটির একাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। পথিমধ্যে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে সংগঠনের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস আম্মারসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ সংঘর্ষের খবর জানানো হয়। পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পেটানো হয়েছে। আপাতত কোনো জমায়েত না করে আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করে পুনরায় রাজপথে নামার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, জুমার নামাজের পর শাহবাগে জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন আন্দোলনকারীরা। পথে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং জলকামান, টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।
সংগঠনটি জানিয়েছে, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে ইনকিলাব মঞ্চের প্রায় ৪০ জন নেতা-কর্মী আহত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এসবিআর







































