ফাইল ছবি
আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে পে স্কেল প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জোরদার হচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যমানের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘ ১১ বছর ধরে বেতন বাড়েনি, অথচ জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে বহু গুণ। ফলে তাদের দৈনন্দিন জীবনমান দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে।
সরকারি কর্মচারী রুবেল মিয়া অভিযোগ করেছেন, “বিশ্বাস করুন, আমরা নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা খুবই কষ্টে আছি। তাই বর্তমানে পে-স্কেল একান্ত প্রয়োজন। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে বেতন বৃদ্ধি হয়নি, কিন্তু জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এখন আর পারছি না।”
অন্য একজন কর্মচারী, আব্দুল বারী লিখেছেন, “গরীব কর্মচারিদের দুঃখের কথা গুলো সরকার শুনতে চায় না।” এ মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও কষ্টের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারি খাতে দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৃদ্ধির অভাব এবং মূল্যস্ফীতির চাপ দেশের সরকারি কর্মচারীদের ওপর আর্থিক এবং মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। ঈদে পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি হলে শুধু ঈদ বোনাস হিসেবে নয়, এটি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি পূরণ ও তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দিকেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
সরকারি কর্মচারীদের অনেকে আশা করছেন, আসন্ন ঈদে সরকারি বেতন কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় ঘটালে এটি তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও হতাশা কমাতে সহায়তা করবে।
এসএইচ


















-20260502070655.gif)




















