• ঢাকা
  • শনিবার, ০২ মে, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ডিসি সম্মেলন শুরু রোববার, আলোচনায় ৪৯৮ প্রস্তাব 


নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২, ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
ডিসি সম্মেলন শুরু রোববার, আলোচনায় ৪৯৮ প্রস্তাব 

ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো আগামীকাল রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন। চলবে আগামী ৬ মে পর্যন্ত। এবারের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে জনগুরুত্বপূর্ণ ৪৯৮টি প্রস্তাব জমা পড়েছে, যা নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ৩৪টি অধিবেশনে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

আজ শনিবার বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সম্মেলনের বিস্তারিত সূচি তুলে ধরেন। তিনি জানান, রবিবার সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে সরাসরি মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন সরকারের কাছে জনগণের যেসব প্রত্যাশা রয়েছে, এই সম্মেলনে সেগুলোকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসকরা যাতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনায় জোর দেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকারি কাজে কোনোভাবেই দলীয় প্রভাব কাম্য নয়।

সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের সম্মেলনে সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার ও উন্নয়ন নিয়ে। দেশের সব হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন সহজলভ্য করা, প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অন্তত একটি করে অ্যাম্বুল্যান্স নিশ্চিত করা এবং জেলা কারাগারগুলোতে চিকিৎসক সংকট দূর করার মতো বিষয়গুলো ডিসিদের প্রস্তাবে উঠে এসেছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য বা গুজব ছড়ানো রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাবও রয়েছে আলোচনার তালিকায়।

সম্মেলনের সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আওতাধীন সংস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত অধিবেশনগুলো অনুষ্ঠিত হবে। দিন শেষে জেলা প্রশাসকরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। দ্বিতীয় দিন অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের আলোচনা শেষে তারা জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

তৃতীয় দিন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। ওই দিন জেলা প্রশাসকরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। সম্মেলনের শেষ দিন অর্থাৎ বুধবার স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনার পর রাতে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজের মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটবে।

এসএইচ 
 

Link copied!