• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

উত্তরায় গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ


নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৬, ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
উত্তরায় গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই শিশু ও এক অন্তঃসত্ত্বা নারী রয়েছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে উত্তরার কামারপাড়া ১০ নম্বর সেক্টরের একটি ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট–এ ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধরা হলেন—রুবেল (৩০), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), তাদের তিন বছরের মেয়ে রোজা, সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই দুবাইপ্রবাসী এনায়েত (৩২), এনায়েতের স্ত্রী দেলেরা (২৮), তাদের ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), ভাগনি আয়েশা (১৯) এবং আরেক স্বজন রুবেল (৩৫)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কামারপাড়ার কবরস্থান রোডে আবুল কালামের মালিকানাধীন একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণটি ঘটে। সেখানে রাইড-শেয়ারিং চালক রুবেল পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার চাচাতো ভাই এনায়েত সম্প্রতি দুবাই থেকে দেশে এসে পরিবারসহ ওই বাসায় বেড়াতে ছিলেন। তাদের বাড়ি শিবচর উপজেলায়।

একই ভবনের চারতলায় থাকা স্বজন সাজেদ মাতব্বর জানান, ভোরে বিকট শব্দ শুনে নিচে নেমে দেখা যায় নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের ভেতরে থাকা সবাই দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আহতদের মধ্যে সোনিয়া আক্তারের শরীরের প্রায় ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এছাড়া এনায়েতের ৪৫ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, রুবেলের (৩০) ৩২ শতাংশ, শিশু রোজার ১৮ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, দেলেরার ১৪ শতাংশ, রুবেলের (৩৫) ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ এবং আয়েশার ১২ শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, গুরুতর দগ্ধ কয়েকজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে এবং অন্যদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স–এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার জানান, খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই বাসার লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গিজার বা গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

এম

Wordbridge School
Link copied!