• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

সংসদে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে তুমুল উত্তেজনা


নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
সংসদে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে তুমুল উত্তেজনা

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫-এর (আদেশ নম্বর ১) আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বানের বিষয়ে নোটিশ উত্থাপন করেন।

রোববার এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে গিয়ে শফিকুর রহমান জানান, স্পিকারের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি যথাযথভাবে নোটিশটি উত্থাপন করেছেন এবং আশা করেন এটি আলোচনার জন্য অনুমোদিত হবে।

সরকারি দলের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বক্তব্যে বলেন, ‘সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী নোটিশ ৭১ ধারা শেষ হওয়ার পর উত্থাপন করা হয়। বিরোধীদলীয় নেতাকে অনুরোধ করছি, বিধি শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।’

এরপর আবার মাইক্রোফোন নেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘স্পিকার জানিয়েছিলেন, প্রশ্নোত্তরের পরেই এমন আলোচনার বিষয় উত্থাপন করা যেতে পারে। আমি সেই অনুযায়ী নোটিশ উত্থাপন করেছি। এটি আমার সাংবিধানিক অধিকার এবং দায়িত্ব।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘এটা স্পিকারের এখতিয়ার। স্পিকার অনুমতি না দিলে আমি বসে থাকব। তবে বিরোধীদলীয় নেতা বিষয়টি উত্থাপন করেছেন, যা গুরুত্বপূর্ণ। ৭১ ধারা শেষ হলে বিষয়টি আলোচনার জন্য উপযুক্ত সময়ে আসবে।’ ডেপুটি স্পিকারও মন্তব্য করেন, ‘৭১ ধারা শেষে নোটিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংসদীয় নিয়ম মেনে এটি করা হবে।’

পরে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জাতীয় সংসদে গণভোটের মাধ্যমে সরকার গঠিত হয়েছে। জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। বিরোধীদলীয় নেতার নোটিশ যথাযথ এবং গুরুত্বপূর্ণ।’

চূড়ান্তভাবে স্পিকার সংসদীয় বিধি অনুসরণ করে নিশ্চিত করেন, নোটিশের বিষয়ে আলোচনা পরবর্তী কার্যদিবসে বা নির্ধারিত সময়ে হবে। এ আশ্বাসে সংসদে উত্তেজনা কমে এবং পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এই ঘটনা সংসদে বিরোধীদল ও সরকারি দলের মধ্যে নিয়ম, প্রথা ও অধিকার নিয়ে চলমান তর্কের একটি উদাহরণ হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে সংবিধান সংস্কার ও জাতীয় সনদ নিয়ে গুরুত্বপূর্ন আলোচনার প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

এসএইচ 

Wordbridge School
Link copied!