ফাইল ছবি
গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিলের পথে এগোচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সংসদে উপস্থাপন না হলে আগামী ১২ এপ্রিল অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক বিরোধিতা বা ভোটাভুটির প্রয়োজন ছাড়াই এটি কার্যত বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়াটি একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ হতে পারে। সরাসরি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলে যে রাজনৈতিক চাপ বা বিতর্ক তৈরি হতে পারত, তা এড়াতেই সংসদে না তোলার পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। এতে একদিকে দায় এড়ানো যাচ্ছে, অন্যদিকে বিষয়টি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির সুযোগ রাখা হচ্ছে।
গণভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এই ধরনের অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এটি একটি কৌশলী সিদ্ধান্ত, যা দলকে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক ঝুঁকি থেকে রক্ষা করছে। আবার অন্যদের মতে, এতে নীতিগত স্পষ্টতার অভাব প্রকাশ পাচ্ছে এবং জনমতের প্রতি আস্থার প্রশ্ন উঠছে।
অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে গেলে গণভোটের মাধ্যমে বড় কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথ আপাতত বন্ধ হয়ে যাবে। এতে রাজনৈতিক সংস্কার বা জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিকল্প পদ্ধতি খোঁজার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।
এনসিপির এক নেতা জানান, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের নীলনকশা করছে সরকার। আর গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল হলে চরম মূল দিতে হবে বিএনপি সরকারকে।
সব মিলিয়ে, সরাসরি সিদ্ধান্তের বদলে প্রক্রিয়াগত উপায়ে অধ্যাদেশটি বাতিলের এই উদ্যোগ রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে।
এসএইচ







































