ফাইল ছবি
দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসকদের ওপর হামলা, চিকিৎসকদের প্রতি অবমাননাকর আচরণ এবং একই সঙ্গে চিকিৎসক ও চিকিৎসাব্যবস্থার ঢালাও সমালোচনা-এই প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সমালোচনা অবশ্যই হতে পারে। কোনো ভুল হলে তার তদন্ত ও বিচারও হতে হবে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসক ও চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করা এবং জনগণকে চিকিৎসকদের মুখোমুখি দাঁড় করানো কোনোভাবেই সুস্থ সমাজের লক্ষণ নয়।
এই অপতৎপরতার পেছনে দুটি সম্ভাব্য উদ্দেশ্য বিশেষভাবে বিবেচনার দাবি রাখে-
১. বাংলাদেশের চিকিৎসক ও চিকিৎসাব্যবস্থাকে অকার্যকর ও অনির্ভরযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং চিকিৎসকদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করা।
২. বাংলাদেশে চিকিৎসাসেবা গ্রহণে রোগীদের নিরুৎসাহিত করে দেশের বাইরে, বিশেষত কোনো নির্দিষ্ট দেশের দিকে, রোগী প্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টা করা।
চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সহিংসতা নয়-ভুলের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহি চাই।
চিকিৎসাব্যবস্থার বিরুদ্ধে অপপ্রচার নয়-গঠনমূলক সংস্কার চাই।
চিকিৎসক ও জনগণের মধ্যে বিভাজন নয়-পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা চাই।
মনে রাখতে হবে, চিকিৎসক ও জনগণ পরস্পরের প্রতিপক্ষ নন; তারা একই স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশের চিকিৎসক, চিকিৎসাব্যবস্থা ও রোগীদের প্রতি আস্থা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
লেখক
অধ্যাপক, শিশু বিভাগ, আইসিএমএইচ
প্রাক্তন অধ্যক্ষ, মুগদা মেডিকেল কলেজ
সভাপতি, বিসিএস হেলথ ফোরাম
লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি, এনডিএফ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ
ট্রেজারার, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক্স অ্যাসোসিয়েশন
এসএইচ
*** প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব ভাবনার প্রতিফলন। সোনালীনিউজ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে লেখকের এই মতামতের অমিল থাকাটা স্বাভাবিক। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য সোনালীনিউজ কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না। এর দায় সম্পূর্ণই লেখকের।


























original1787417799-20260822173831.jpg)












