শবে কদরের রাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল-এর একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যদিও বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দাবি করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
আফগানিস্তান সরকার এই হামলার জন্য সরাসরি পাকিস্তান-কে দায়ী করেছে। তবে ইসলামাবাদ এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আফগানিস্তানের শীর্ষ ক্রিকেটাররা। রশিদ খান এক পোস্টে বলেন, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়—তা ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত। পবিত্র রমজান মাসে এমন সহিংসতা আরও উদ্বেগজনক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
একই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহাম্মদ নবি। তিনি কাবুলের হাসপাতালের পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, চিকিৎসা নিতে আসা নিরীহ মানুষ এই সহিংসতার শিকার হয়েছেন। তাদের পরিবারগুলোর কান্না ও হতাশার চিত্রও তুলে ধরেন তিনি।
অন্যদিকে নবিন উল হক এই হামনাকে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন তোলেন—এ ধরনের হামলার মধ্যে পার্থক্য কোথায়।
জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা চলছে। সোমবারও দুই দেশের সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যেখানে আফগান তালিবান বাহিনীর কয়েকজন সদস্য নিহত হন। তার কয়েক ঘণ্টা পরই কাবুলের একটি বড় হাসপাতাল লক্ষ্য করে বিমান হামলার খবর আসে।
তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এ ঘটনাকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। অন্যদিকে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা শুধুমাত্র সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’।
এম







































