• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ঝালকাঠি-১: বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ধানের শীষের জয় অনিশ্চিত


মো. মাহিন খান, ঝালকাঠি সংবাদদাতা জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম
ঝালকাঠি-১: বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ধানের শীষের জয় অনিশ্চিত

ফাইল ছবি

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ভেতরের সমীকরণ এখনো স্থির হয়নি। দলীয় প্রার্থীর বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে গোলাম আজম সৈকতের সক্রিয় উপস্থিতি নির্বাচনী মাঠে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার বিএনপির পদধারী কিছু নেতাকর্মী প্রকাশ্যে ও আড়ালে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম আজম সৈকতের পক্ষে কাজ করছেন। এর ফলে বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দলীয় প্রার্থীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

একাধিক ভোটার জানান, বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে বিএনপির দলীয় প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের জয় অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণ বদলে গেছে। তাঁদের মতে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হস্তক্ষেপ করলে এখনো সংকট নিরসনের সুযোগ রয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় গোলাম আজম সৈকত গণসংযোগ, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব উপস্থিতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করছেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও আলোচনা বাড়ছে।

গোলাম আজম সৈকত বলেন, তিনি কোনো দলের বিরুদ্ধে নন, জনগণের পক্ষে নির্বাচন করছেন। তাঁর ভাষ্য, রাজাপুর-কাঁঠালিয়ার মানুষ পরিবর্তন চায় এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দেবে।

এদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়নি। দলীয় নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন তাঁরা।

বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, ঝালকাঠি–১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয়ভাবে রফিকুল ইসলাম জামাল দায়িত্বপ্রাপ্ত। দলীয় ঐক্য বজায় রেখে সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, মনোনয়নকে ঘিরে কিছু মনোমালিন্য তৈরি হয়েছে, যা তৃণমূলে প্রভাব ফেলেছে। তবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হলে পরিস্থিতি বদলানো সম্ভব বলে তিনি আশাবাদী।

স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী মনে করছেন, বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রভাব কমানো না গেলে ধানের শীষের ভোট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দ্রুত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা না হলে এই বিভক্তির সুযোগ নিতে পারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

এসএইচ

Wordbridge School
Link copied!