ফাইল ছবি
গণভোটের প্রচার এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
সমাবেশে ফরিদা আখতার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো সাধারণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ফল নয়। এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ছেলে-মেয়ে এবং তাদের বাবা-মায়ের রক্তের বিনিময়ে। এটি ছাত্র ও জনগণের অভ্যুত্থান। তাই শহীদদের পরিবারকে আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
তিনি বলেন, গত ১৫ বছর দেশে ছিল ফ্যাসিবাদী শাসন। এটি কেবল স্বৈরাচার ছিল না, বরং নিন্ম পর্যায়ের ফ্যাসিবাদ। সেই রাজনৈতিক শক্তিই ১৯৭২ সালের সংবিধানকে নিজেদের স্বার্থে কেটে ছেঁড়ে ব্যবহার করেছে। আমরা ৭২-এর সংবিধানের গণবিরোধী ধারাগুলোর পরিবর্তন চাই, সংবিধান ধ্বংস নয়।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের দিন জনগণ একদিনের জন্য রাজা হবেন। কারণ ওই দিন দুটি ব্যালটের মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের আইন সংসদে পাস করতে সংসদ সদস্যদের বাধ্য করতে পারবেন। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করেছিলাম সংসদে পর্যাপ্ত নারী প্রতিনিধি থাকবেন। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলই সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। আমরা এখানে এসেছি ‘হ্যাঁ’ ভোট নিয়ে মানুষের ভুল ধারণা ভাঙতে। আমরা কাউকে কিছু চাপিয়ে দিতে আসিনি। কোনো দলের পক্ষেও নই, বিপক্ষেও নই।
ফরিদা আখতার বলেন, ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি না হয়, সে জন্যই এই গণভোট। দেশ ও জনগণের স্বার্থেই সবাইকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাঈদুল ইসলাম কিসমত, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির তাফাজ্জল হোসেন ফরিদ, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সান্যামত এবং এনসিপির জেলা সদস্যসচিব মো. আল আমিনসহ অন্যান্যরা।
এসএইচ







































