ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুত লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ভোটাররা। তবে অতীতের নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার অভিজ্ঞতা এখনো অনেকের মনে শঙ্কা তৈরি করছে। প্রশাসনের হিসাবে, জেলার মোট ৪৯৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২১৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে। এ আসনের ১৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১২টিই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকাভুক্ত। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ৩০টি, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ৪০টি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৩৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চারটি আসনে মোট ৪৯৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ২১৮টি কেন্দ্রকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ এবং ১৯৮টিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটের চার দিন দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৩১৩ জন পুলিশ সদস্য, ৬০০ জন সেনাসদস্য, ১০ প্লাটুন বিজিবি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তাকর্মী।
মেঘনা নদীবেষ্টিত উপকূলীয় এ জেলায় অতীতে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার ঘটনা তুলনামূলক বেশি ছিল, যার প্রভাব পড়েছিল ভোটার উপস্থিতিতেও। তবে এবার সেই চিত্র বদলাতে চান সাধারণ ভোটাররা। অতীতের তিক্ততা পেছনে ফেলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রত্যাশা করছেন তারা।
ভোটারদের মতে, নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ভোটের দিন কেন্দ্রে ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যাবে। এ জন্য তারা শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএইচ






































