ছবি: প্রতিনিধি
আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ আছে। মানুষের অভাব, অভিযোগসহ অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগটা এক নম্বরে রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশেনায় আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করার চেষ্টা করছি।
তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে (সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিস) এসে দেখতে পেয়েছি যে ভূমি অফিসের সেবা দানকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবা গ্রহণকারী গ্রহীতাদের ব্যাপক গ্যাপ কাজ করছে। এখানকার কর্মকর্তারা সেবা গ্রহীতাদের সঠিকভাবে জানাচ্ছে না যে কোন কাজটায় কতোটা সময় লাগতে পারে, অর্থাৎ তাদের মধ্যে গ্যাপ অনেক। এককথায় বলা চলে আমলাতান্ত্রিক যে মনোভাব, এটা এখনো বিরাজমান। মূলত প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে জনগণের সাথে যে সম্পৃক্ততা থাকার কথা সেটা হয়ে উঠছে না। সেইসব বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখবো। আজকে পরিদর্শনে এসে সে সমস্যাগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো। আমাদের এই পরিদর্শনের কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, আমি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে এসে আশাহত হয়েছি। কারণ ৯ টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি। দেখলাম একজন কর্মকর্তা পৌনে দশটা এবং আরেকজন দশটার পড়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নেবো। আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার অর্থাৎ জনগণের সরকার। আমরা চেয়ারে বসা মাত্রই অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার কথা বলেছি।
প্রসঙ্গত, আজ সকাল ৯ টার আগ মূহুর্তে আকস্মিক কাউকে না জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমি অফিস পরিদর্শনে আসেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পরিদর্শনে এসে তিনি দেখতে পান যে সরকারি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী এসে পৌঁছায়নি এবং অফিসও তালাবদ্ধ। তার উপস্থিত হওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর কেউ একজন এসে কার্যায়লের তালা খুলে দিলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।
এসএইচ







































