• ঢাকা
  • বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

জমজমাট ময়মনসিংহের ঈদ বাজার  


রিপন গোয়ালা অভি, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মার্চ ৪, ২০২৬, ০২:২২ পিএম
জমজমাট ময়মনসিংহের ঈদ বাজার   

ছবি: প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ নগরীতে পুরোপুরি জমে উঠেছে ঈদ বাজার। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। নগরের বিপণিবিতান ও শপিংমলগুলো এখন উপচে পড়া জনসমাগমে মুখর। দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদাও বেড়েছে। দাম নিয়ে ক্রেতা–বিক্রেতার দর–কষাকষি চললেও শেষ পর্যন্ত পছন্দের পোশাক কিনেই ফিরছেন অনেকে। তবে শাড়ির বাজার তুলনামূলক মন্দা থাকায় কিছুটা অখুশি ব্যবসায়ীরা।

ঈদ মানেই আনন্দ। আর সেই আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করতে পছন্দের পোশাক খুঁজে নিতে এক মার্কেট থেকে আরেক মার্কেটে ছুটছেন ফ্যাশনসচেতন মানুষ। নগরের ময়মনসিংহ-এর তাজমহল মার্কেট, গাঙ্গিনারপাড়, নতুন বাজারসহ বিভিন্ন বিপণিবিতান সেজেছে বর্ণিল সাজে। বাহারি নাম ও নকশার শাড়ি, থ্রিপিস, টপস, শার্ট, প্যান্ট ও টি–শার্টে ভরে উঠেছে শোরুমগুলো।

ক্রেতাদের অভিযোগ, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম কিছুটা বেশি। ঈদের পোশাক কিনতে আসা সাইফা আঞ্জুমান বলেন, গতবারের তুলনায় এবার ড্রেসের দাম বেড়েছে। তিনটি ড্রেস কেনার ইচ্ছা থাকলেও দামের কারণে একটি কিনেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।

পরিবারের জন্য কেনাকাটা শেষে নাদিয়া ইসলাম বলেন, বাসার সবার জন্য ঈদের পোশাক কেনা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনদের জন্যও নতুন পোশাক নেওয়া হয়েছে। মার্কেটে অনেক নতুন ডিজাইনের পোশাক এসেছে, কোনটা রেখে কোনটা নেবেন—সিদ্ধান্ত নিতে কষ্ট হচ্ছে।

আরেক ক্রেতা মাহমুদুল ইসলাম বলেন, বড়দের তুলনায় শিশুদের পোশাকের দাম বেশি। বাজেট সীমিত হলেও ঈদ বলে কথা, সবদিক সামলে কেনাকাটা করতে হচ্ছে।

পোশাকের দোকানের পাশাপাশি কসমেটিকস ও গহনার দোকানেও ভিড় দেখা গেছে। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে গহনা কিনছেন অনেকে। তবে এখানেও বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ক্রেতা।

দাম কিছুটা বেশি হলেও বিক্রি ভালো হওয়ায় সন্তুষ্ট অধিকাংশ দোকানি। তাঁদের আশা, শেষ সময়ে বেচাকেনা আরও বাড়বে। তবে শাড়ির দোকানগুলোতে তুলনামূলক কম ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন নকশা ও দামের শাড়ি মজুত থাকলেও প্রত্যাশিত ক্রেতা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

নিরাপত্তার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে মার্কেটগুলোতে চুরি ও ছিনতাই রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারেন, সে জন্য টহল জোরদার করা হয়েছে। সাদা পোশাকের পুলিশও দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসায়ীদের লেনদেন নির্বিঘ্ন রাখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ছুটির দিনেও সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত খোলা থাকছে মার্কেট, শপিংমল ও বিভিন্ন শোরুম। যত দিন যাচ্ছে, ততই জমে উঠছে ঈদের কেনাকাটার আমেজ।

এসএইচ 

Wordbridge School
Link copied!